ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ হারালেন ফরিদগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর

আলমগীর হোসেন রিপন

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপনকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক মাসিক সভায় দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জারি করা স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক মাসিক সভাগুলোতে উপস্থিত হননি। পরপর তিনটি মাসিক সভায় তার এই অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আইনগতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আইনি পদক্ষেপ:প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার এ ধরনের অনুপস্থিতি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর বিধান পরিপন্থী। ফলে তার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আইনবহির্ভূত বলে বিবেচিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উক্ত আইনের ৩৪(৪)(ক) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায়, একই আইনের ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এই সিদ্ধান্তের পর ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দায়িত্ব বণ্টন ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনেও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এই বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

পদ হারালেন ফরিদগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর

আপডেট : ১২:৪২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপনকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক মাসিক সভায় দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জারি করা স্থানীয় সরকার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপন ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের ধারাবাহিক মাসিক সভাগুলোতে উপস্থিত হননি। পরপর তিনটি মাসিক সভায় তার এই অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি আইনগতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

আইনি পদক্ষেপ:প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তার এ ধরনের অনুপস্থিতি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর বিধান পরিপন্থী। ফলে তার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে আইনবহির্ভূত বলে বিবেচিত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উক্ত আইনের ৩৪(৪)(ক) ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ায়, একই আইনের ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের এই সিদ্ধান্তের পর ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দায়িত্ব বণ্টন ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনেও ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন রিপনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এই বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি।