ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলবের কালিয়াইশে সরকারি রাস্তার কাজে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি।

মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব কালিয়াইশ গ্রামে চলাচলের রাস্তার ওপর পাকা দেয়াল নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগে জানা যায়, নুরুল ইসলাম মিয়াজীর ছেলে জসিম মিয়াজী এবং মৃত সিরাজ মিয়াজীর ছেলে শাহজান মিয়াজী, সামছু মিয়াজী ও নজরুল মিয়াজীসহ তাদের সহযোগীরা প্রায় শতবর্ষী পুরোনো চলাচলের রাস্তায় সরকারি উন্নয়ন কাজ চলাকালে একটি পাকা দেয়াল নির্মাণ করে রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি বরাদ্দে রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু হলে অভিযুক্তরা সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মাওলানা আবুল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আবুল কালাম মিয়াজী ও মনির মিয়াজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারি বরাদ্দে রাস্তা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেয়াল নির্মাণ করে কাজ বাধাগ্রস্ত করছেন। এমনকি ঠিকাদার কাজ করতে গেলে তাদেরও বাধা দেওয়া হয়। এতে এলাকাবাসী এবং আবেদনকারী পরিবারগুলো চরম ভোগান্তির আশঙ্কায় রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বিভিন্ন অর্থবছরে সরকারি অর্থায়নে রাস্তাটি একাধিকবার মাটি দিয়ে ভরাট করা হলেও এখনো পাকা করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদার কারণে চলাচল অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইসমামসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাড়ির ওপর দিয়ে পূর্বে রাস্তা করা হয়েছে। আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সরকারি অর্থায়নে রাস্তার উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। তাই আমরা এ রাস্তা বন্ধ করে বিকল্প একটি রাস্তা করার প্রস্তাব দিয়েছি।”
তবে সরেজমিনে দেখা যায়, বিবাদীপক্ষ যে বিকল্প রাস্তার প্রস্তাব দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব। কারণ ওই রাস্তা নির্মাণ করতে হলে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি আবাসিক ঘর স্থানান্তর করতে হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয়

ফরিদগঞ্জে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিমন গ্রেপ্তার

মতলবের কালিয়াইশে সরকারি রাস্তার কাজে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ

আপডেট : ০৯:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব কালিয়াইশ গ্রামে চলাচলের রাস্তার ওপর পাকা দেয়াল নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযোগে জানা যায়, নুরুল ইসলাম মিয়াজীর ছেলে জসিম মিয়াজী এবং মৃত সিরাজ মিয়াজীর ছেলে শাহজান মিয়াজী, সামছু মিয়াজী ও নজরুল মিয়াজীসহ তাদের সহযোগীরা প্রায় শতবর্ষী পুরোনো চলাচলের রাস্তায় সরকারি উন্নয়ন কাজ চলাকালে একটি পাকা দেয়াল নির্মাণ করে রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি বরাদ্দে রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু হলে অভিযুক্তরা সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে মাওলানা আবুল হোসেন মিয়াজী, মাওলানা আবুল কালাম মিয়াজী ও মনির মিয়াজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকার দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারি বরাদ্দে রাস্তা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেয়াল নির্মাণ করে কাজ বাধাগ্রস্ত করছেন। এমনকি ঠিকাদার কাজ করতে গেলে তাদেরও বাধা দেওয়া হয়। এতে এলাকাবাসী এবং আবেদনকারী পরিবারগুলো চরম ভোগান্তির আশঙ্কায় রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বিভিন্ন অর্থবছরে সরকারি অর্থায়নে রাস্তাটি একাধিকবার মাটি দিয়ে ভরাট করা হলেও এখনো পাকা করা হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে কাদার কারণে চলাচল অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম ইসমামসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের বাড়ির ওপর দিয়ে পূর্বে রাস্তা করা হয়েছে। আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই সরকারি অর্থায়নে রাস্তার উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। তাই আমরা এ রাস্তা বন্ধ করে বিকল্প একটি রাস্তা করার প্রস্তাব দিয়েছি।”
তবে সরেজমিনে দেখা যায়, বিবাদীপক্ষ যে বিকল্প রাস্তার প্রস্তাব দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করা প্রায় অসম্ভব। কারণ ওই রাস্তা নির্মাণ করতে হলে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি আবাসিক ঘর স্থানান্তর করতে হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।