ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আমিনুল ইসলাম (৬৪) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের উল্লাশ্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আমিনুল ইসলাম জামালিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করেছে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিয়মিত আমিনুল ইসলামের বাসায় আরবি পড়তে যেত।

অভিযোগ, আরবি পড়ানোর সুযোগে শিক্ষক শিশুটির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করতেন।

সোমবার সকালে একই ধরনের ঘটনার পর শিশুটি বিদ্যালয়ে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সামছুন্নাহারের নজরে এলে তিনি শিশুটির কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। পরে শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি শিক্ষিকাকে জানায়।

শিক্ষিকা বিষয়টি শিশুটির পরিবারকে অবহিত করলে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় ইউপি
চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে জানানো হয়। পরে তিনি শাহরাস্তি মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন।

খবর পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ শিশুটির বক্তব্য গ্রহণ করে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়। সোমবার গভীর রাতে উল্লাশ্বর এলাকা থেকে আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন দাবি করেন, আটক আমিনুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সংবাদ পাওয়ার পরই গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

শাহরাস্তিতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

আপডেট : ০৩:৩৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আমিনুল ইসলাম (৬৪) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের উল্লাশ্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক আমিনুল ইসলাম জামালিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পরে পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করেছে।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিয়মিত আমিনুল ইসলামের বাসায় আরবি পড়তে যেত।

অভিযোগ, আরবি পড়ানোর সুযোগে শিক্ষক শিশুটির সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করতেন।

সোমবার সকালে একই ধরনের ঘটনার পর শিশুটি বিদ্যালয়ে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সামছুন্নাহারের নজরে এলে তিনি শিশুটির কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। পরে শিশুটি তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি শিক্ষিকাকে জানায়।

শিক্ষিকা বিষয়টি শিশুটির পরিবারকে অবহিত করলে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় ইউপি
চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে জানানো হয়। পরে তিনি শাহরাস্তি মডেল থানায় বিষয়টি অবহিত করেন।

খবর পেয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ শিশুটির বক্তব্য গ্রহণ করে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়। সোমবার গভীর রাতে উল্লাশ্বর এলাকা থেকে আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন দাবি করেন, আটক আমিনুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সংবাদ পাওয়ার পরই গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”