ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব পেলেন অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:৫৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • 119

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) লন্ডনের স্থানীয় কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তাঁকে নাগরিকত্বের সনদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য জানিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে শাখাওয়াত হোসেন টিটো লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু এবং বিচার দিনের মালিক।”

তিনি আরও লেখেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও অনুগ্রহে দীর্ঘ সংগ্রামের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন। জীবনের নতুন এই অধ্যায়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি দীর্ঘ পথচলায় পাশে থাকা, সহযোগিতা করা, ভালোবাসা ও দোয়া করা সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিজের শিকড় ও নতুন জীবনের প্রসঙ্গ তুলে টিটো লেখেন, “জন্মভূমি বাংলাদেশ আমার শিকড়, আর যুক্তরাজ্য আমার জীবনের নতুন অধ্যায়।”

এ সময় পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি লেখেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সত্য, ন্যায়, মানবতা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম মাহমুদের সংশ্লিষ্টতায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এবং ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছিল। এসব মামলাকে তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তী সময়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৫ সালে তিনি এসব মামলা থেকে অব্যাহতি পান বলে তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এরপর ২০২৬ সালে তিনি বাংলাদেশে ফেরেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি ঘটনাপ্রবাহের পর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জনের বিষয়টি সামনে এলেও বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তিনি স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

তবে নাগরিকত্ব অর্জনের ঘোষণায় তিনি নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি শিকড়ের টান এবং যুক্তরাজ্যে জীবনের নতুন অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

চিপস কিনে দিয়ে দুই কন্যাসন্তানকে সড়কে ফেলে গেলেন ‘মা’

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব পেলেন অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো

আপডেট : ০৯:৫৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো। গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) লন্ডনের স্থানীয় কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তাঁকে নাগরিকত্বের সনদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ তথ্য জানিয়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে শাখাওয়াত হোসেন টিটো লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু এবং বিচার দিনের মালিক।”

তিনি আরও লেখেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও অনুগ্রহে দীর্ঘ সংগ্রামের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন। জীবনের নতুন এই অধ্যায়ে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি দীর্ঘ পথচলায় পাশে থাকা, সহযোগিতা করা, ভালোবাসা ও দোয়া করা সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিজের শিকড় ও নতুন জীবনের প্রসঙ্গ তুলে টিটো লেখেন, “জন্মভূমি বাংলাদেশ আমার শিকড়, আর যুক্তরাজ্য আমার জীবনের নতুন অধ্যায়।”

এ সময় পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি লেখেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁকে সত্য, ন্যায়, মানবতা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, সাবেক সংসদ সদস্য সেলিম মাহমুদের সংশ্লিষ্টতায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এবং ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়েছিল। এসব মামলাকে তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তী সময়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৫ সালে তিনি এসব মামলা থেকে অব্যাহতি পান বলে তাঁর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এরপর ২০২৬ সালে তিনি বাংলাদেশে ফেরেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি ঘটনাপ্রবাহের পর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব অর্জনের বিষয়টি সামনে এলেও বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে তিনি স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়িয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্পষ্ট কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

তবে নাগরিকত্ব অর্জনের ঘোষণায় তিনি নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি শিকড়ের টান এবং যুক্তরাজ্যে জীবনের নতুন অধ্যায়ের কথা তুলে ধরেছেন।