ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় মাদক ও কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযান জোরালো: একদিনে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১০:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • 24

ছবি-সংগৃহিত।

চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৯৮ পিস ইয়াবাসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও আটক করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো তথ্যে এসব বিষয় জানানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাইমচর থানা পুলিশ দুই পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছে সাতজনকে।

ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে এবং সিআর পরোয়ানা তামিলের মাধ্যমে আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে সাতজনকে আটক করা হয়।

মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ পাঁচজনকে এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। পরে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় অথবা অভিভাবকের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ ১৫০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। একই থানায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছে ২১ জনকে।

শাহরাস্তি থানা পুলিশ তিন পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া ছয়জনকে আটক করা হয়। কচুয়া থানা পুলিশ ১৬ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি কিশোর গ্যাং সন্দেহে আরও নয়জনকে আটক করেছে।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আটক কিশোরদের যাচাই-বাছাই শেষে নিজ নিজ অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর জেলায় মাদক বিরোধী অভিযানে ২০জন গ্রেপ্তার হয়। আর কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭০ জন। তাদেরকে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে অভিভাকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, আরামকোর ভবনে আগুন

চাঁদপুরের বিভিন্ন থানায় মাদক ও কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযান জোরালো: একদিনে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬

আপডেট : ১০:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১৯৮ পিস ইয়াবাসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও আটক করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো তথ্যে এসব বিষয় জানানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ১৭ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে ১৫ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হাইমচর থানা পুলিশ দুই পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছে সাতজনকে।

ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ১০ পিস ইয়াবাসহ একজনকে এবং সিআর পরোয়ানা তামিলের মাধ্যমে আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাং সন্দেহে সাতজনকে আটক করা হয়।

মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ পাঁচজনকে এবং মতলব উত্তর থানা পুলিশ ছয়জনকে আটক করেছে। পরে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় অথবা অভিভাবকের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ ১৫০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। একই থানায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক করা হয়েছে ২১ জনকে।

শাহরাস্তি থানা পুলিশ তিন পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। এ ছাড়া ছয়জনকে আটক করা হয়। কচুয়া থানা পুলিশ ১৬ পিস ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি কিশোর গ্যাং সন্দেহে আরও নয়জনকে আটক করেছে।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আটক কিশোরদের যাচাই-বাছাই শেষে নিজ নিজ অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর জেলায় মাদক বিরোধী অভিযানে ২০জন গ্রেপ্তার হয়। আর কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭০ জন। তাদেরকে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে অভিভাকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।