বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩৭৮ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৩১০ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে। পাসের হার ৮২.০১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। এর মধ্যে ৩টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।
উপজেলায় সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে হাজীগঞ্জ দারুল উলুম আহমাদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৮৬ জন। পাসের হার ৮৩.৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। নেছারাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলে পাস করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে।

এছাড়াও বাকিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ১৮ জন এবং সাদ্রা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করেছে। রাজারগাঁও ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৭ জন। পাসের হার ৭৭.১৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।
রামচন্দ্রপুর ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৪ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ। সুহিলপুর এবিএস ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৩ জন। পাসের হার ৫৪.১৭ শতাংশ। ছালেহ আবাদ এমএন ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।
বেলচোঁ কারিমাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২৩ জন। পাসের হার ৭৬.৬৭ শতাংশ। নওহাটা ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ২১ জন। পাসের হার ৭০ শতাংশ। কাপাইকাপ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৯ জন। পাসের হার ৮২.৬০ শতাংশ।
বলাখাল এনএমএন আলিম মাদ্রাসা থেকে থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৮৮.৮৯ শতাংশ। কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ১৬ জন। পাসের হার ৭২.৭৩ শতাংশ।












