কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের খলাগাঁও গ্রামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দিনের বেলায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর রাতের আঁধারে তার মরদেহ গোপনে বাবার বাড়ির পাশে রেখে যাওয়ার ঘটনায় দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। নিহত সাদিয়া (২৫) খলাগাঁও গ্রামের শহীদ উল্যাহর মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাদিয়ার বড় বোন সাজেদার স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামে বড় বোনের সঙ্গেই বসবাস করতেন। গতকাল (১৪ জুন) রবিবার বিকেলে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরিবারের দাবি, গতকাল রাত প্রায় ১১টার দিকে সাদিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে একটি কল আসে। কলদাতা জানান, সাদিয়া কীটনাশক (কেরির) ওষুধ সেবন করে মারা গেছেন। একই সঙ্গে জানানো হয়, তার মরদেহ বাবার বাড়ির খলাগাঁও গ্রামের খোরশেদ ভুঁইয়ার দোকানের সামনে রাখা রয়েছে।
খবর পেয়ে সাদিয়ার তিন ভাই, চাচাসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে পৌঁছে তারা সাদিয়ার মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল ইসলামের নির্দেশে সেকেন্ড অফিসার নাজমুল ইসলাম ও এসআই মৃদুল বড়ুয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রাত প্রায় ১২টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে নিহতের পরিবার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



























