এদিকে আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনটি কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া ঠিক সেই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিকে আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনটি কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া ঠিক সেই স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং’ (আইআরআইবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সোমবার তেহরানের রাস্তায় বের হবে বিশাল মিছিল। এরপর মিছিলটি ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোম হয়ে ইরাকের নজফ ও কারবালায় যাবে। আগামী ৯ জুলাই খামেনির নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
এই দীর্ঘ ছয় দিনের আয়োজনে প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তাই পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। ভারত, রাশিয়া, চীনসহ ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং ১০০টি দেশের ধর্মীয় নেতারা এতে যোগ দেবেন।
এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে এসেছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আহমদ ওয়াহিদি।