আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ায়, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী রুবেল মোল্লা। ঘোষণার পর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি সাধারণ মানুষের কাছে একটি পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান, যিনি মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনবেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিচালনা করবেন এবং উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দেবেন।

হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি নির্বাচনের সময়ই শুধু নয়, সব সময় মানুষের পাশে থাকবেন। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন। রুবেল মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে যুক্ত থাকায় তাঁর প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”
চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেল মোল্লা বলেন, “চেয়ারম্যান হওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য নয়, মানুষের সেবা করাই আমার প্রধান অঙ্গীকার। জনগণের ভালোবাসা, আস্থা ও সহযোগিতা নিয়ে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ এবং উন্নয়নমুখী হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কৃষির উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন, যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবেন।
তিনি বলেন, আশা করি দলীয় ম্যাণ্ডেট আমার পক্ষে থাকবে। বিগত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। আমাদের চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জি. মমিনুল হক ভাইকে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করতে সর্বাত্মক প্রচেস্টা ছিলো
প্রার্থিতা ঘোষণার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে উৎসাহ এবং প্রবীণদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের নেতৃত্ব।
স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই হবে আগামী জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গায় রুবেল মোল্লা কতটা আস্থা অর্জন করতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।



























