এ পর্যন্ত যতটি ওয়ার্ডে গিয়েছি, প্রায় সকল ওয়ার্ডেই পয়ঃনিস্কাশনের সমস্যা’সহ সুপেয় পানির না পাওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। আমি দলীয় সমর্থন ও পৌরবাসীর ভোটে নির্বাচিত হলে সকল ওয়ার্ডে সুপেয় পানি নিশ্চিত করা হবে।
কথাগুলো বলেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে সমর্থন প্রত্যাশী, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী।

আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল শনিবার (৮ আগস্ট) তিনি পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড টোরাগড় এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এসময় পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে পৌরসভার ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। তার এই গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া ও জনসম্পৃক্ততা মিলেছে। গণসংযোগকালে তিনি স্থানীয় ও এলাকার লোকজনের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।
এসময় স্থানীয়রা বিভিন্ন সমস্যা উপস্থাপন করলে তিনি দলীয় সমর্থন ও পৌরবাসীর ভোটে নির্বাচিত হলে তার সমাধান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ধারাবাহিকভাবে তিনি বাকি ওয়ার্ডগুলোতে গণসংযোগ করবেন বলে সংবাদকর্মীদের জানান।
দেখা গেছে, মোহাম্মদ হাসান মিয়াজীর গণসংযোগে জনসম্পৃক্ততার পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী’সহ সর্বস্তরের জনসাধারনের সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন এবং তার কাছে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে ও পৌরসভার সেবা ভিত্তিক চাহিদা উপস্থাপন করছেন। এসময় তিনি দলীয় সমর্থন ও মেয়র নির্বাচিত হলে তা সমাধানের কথা উল্লেখ করেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আমি মেয়র প্রার্থী। তবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে আমি দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। দল যদি আমাকে মনোনিত করে সমর্থন দেয়, তাহলে আমি নির্বাচন করবো। আর যদি অন্য কাউকে সমর্থন করে, আমি তার সাথে থাকবো।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার কাঙ্খিত উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতামূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে তিনি তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, আমি মেয়র নির্বাচিত হলে, আধুনিক পৌরসভা গড়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং ও নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
হাজীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে’ সংসদ সদস্য ইঞ্জি. মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিধি বহিঃভূতভাবে পৌরসভার অর্থ আত্মসাৎ হয়, এমন কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।
পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সমবন্টনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থান’সহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবস্থা গ্রহণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ১২টি ওয়ার্ডে ড্রেন নির্মাণ করা হবে। পৌরসভার অন্যতম প্রধান সমস্যা সমধানে সুপেয় পানি নিশ্চিত করা হবে। যেসব ওয়ার্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, সেসব ওয়ার্ডে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, হতদরিদ্রের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও পড়ালেখায় আর্থিক সহযোগিতা এবং মসজিদ ও মন্দির’সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে। হকারদের পুর্নবাসনে পৌরসভা ও বাজার কমিটির সমন্বয়ে ব্যবসায়ী কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং পৌর এলাকায় সৌন্দর্য্যবর্ধন করা হবে।




























