ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি ইরানের

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৭:৫৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 96

ছবি-সংগৃহিত।

মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ইরানে তৈরি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ী।

টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ী বলেন, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে একটি মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি মার্কিন জাহাজের জন্য ‘নরক’ তৈরি করেছিল এবং পরে জাহাজটি সরে যায়।

ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

তবে এর আগে এক্সে দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম সতর্ক করে বলেছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যদি দুটি মার্কিন জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে তাদের ওপর আরও বড় ‘অর্থনৈতিক মূল্য’ চাপানো হবে এবং তিনটি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন বাহিনীকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না এবং প্রয়োজন হলে ইরানের ‘সীমিত ও ঝুঁকিপূর্ণ’ তেলবাহী জাহাজের বহরও ধ্বংস করা হতে পারে।

এদিকে, বিপ্লবী গার্ডের সাবেক কমান্ডার রেজায়ী ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পরামর্শ না করে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে দেশটির নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে এসব জাহাজকে বীমা-সংক্রান্ত সমস্যা ও ভবিষ্যতে চলাচলে জটিলতাসহ বিভিন্ন পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি ইরানের

আপডেট : ০৭:৫৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ইরানে তৈরি ডেস্ট্রয়ার-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের দাবি করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ী।

টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ী বলেন, প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে একটি মার্কিন জাহাজের বিরুদ্ধে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তার দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি মার্কিন জাহাজের জন্য ‘নরক’ তৈরি করেছিল এবং পরে জাহাজটি সরে যায়।

ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

তবে এর আগে এক্সে দেয়া এক পোস্টে সেন্টকম সতর্ক করে বলেছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যদি দুটি মার্কিন জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে তাদের ওপর আরও বড় ‘অর্থনৈতিক মূল্য’ চাপানো হবে এবং তিনটি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন বাহিনীকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না এবং প্রয়োজন হলে ইরানের ‘সীমিত ও ঝুঁকিপূর্ণ’ তেলবাহী জাহাজের বহরও ধ্বংস করা হতে পারে।

এদিকে, বিপ্লবী গার্ডের সাবেক কমান্ডার রেজায়ী ওই অঞ্চলে জাহাজ চলাচল নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পরামর্শ না করে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে দেশটির নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে এসব জাহাজকে বীমা-সংক্রান্ত সমস্যা ও ভবিষ্যতে চলাচলে জটিলতাসহ বিভিন্ন পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে