চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৩ নং হানারচর ইউনিয়নে জাটকা সংরক্ষণে অভয়াশ্রমে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের খাদ্য সহায়তার (বিজিএফ) চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) হানারচর ইউনিয়নে চাল বিতরণকালে সেখানে অভিযান করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চাঁদপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের মোহাম্মদ আজগর হোসেন।

এসময় তারা প্রথমেই একাধিক চাউলের বস্তাসহ একটি ভ্যান জব্দ করে। পরে জব্দকৃত চাল ওজন দিলে সকল বস্তায় চালের পরিমান কম পায় দুদক।
বিতরণকালে ওই চালের কার্ডধারীরা আসলে তারা কে কি পেশায় আছেন এমন প্রশ্নে জানাযায় কেউ মসজিদের মুয়াজ্জিন আবার কেউ কৃষক। এছাড়াও মারা যাওয়া জেলের চাল বিতণের বিষয়েও প্রমাণ পায় দুদক।
বিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল ছাত্তার রাঢ়ীর কাছে জেলের সংখ্যা ও চাল সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন, যা পরে কমিশনে রিপোর্ট আকারে পাঠিয়ে দিবেন বলেন জানান দুর্নীতি দমন কমিশনের চাঁদপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের মোহাম্মদ আজগর হোসেন।
বলেন, এখানে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ ছিলো যে ভুয়া কার্ড সৃষ্টি করে চাল দেয়ার পাশাপাশি প্রকৃত যেসব জেলে রয়েছে তাদের কম চাল দেয়া হচ্ছে।এবং তাদের চালগুলো অন জায়গায় বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। কমিশনের অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আজকে এখানে এসেছি। আমরা এসে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি । একজন জেলে ৪০ কেজি করে চাউল পাওয়ার কথা কিন্তু উনারা রেজুলেশন করে ৩৬.৮০ কেজি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু আমারা ওজন দিয়ে পাই ৩১, ৩২, ৩৫ কেজি। আজকে আমরা এখানে যা পেয়েছি তা কমিশনে রিপোর্ট আকারে পাঠিয়ে দিব ।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল ছাত্তার রাঢ়ী বলেন, আমাদের ইউনিয়নে কার্ডধারী জেলে সংখ্যা ২১৮১ কিন্তু বরাদ্ধ আসছে ২০০৭ জনের। তাই সবাইকেই ৩৬ কেজি করে আমাদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।এখানে উনারা এসে কয়েকটা বস্তা ওজন দিছে তার মধ্যে ২/১ টি বস্তায় কিছুটা কম পেয়েছে। আবার ২/১ টিতে কিছুটা বেশি পেয়েছে। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন বলেও জানান অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল ছাত্তার রাঢ়ী।
























