ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কবরস্থানে কুড়িয়ে পাওয়া সেই নবজাতককে দত্তক নিলেন চিকিৎসক দম্পতি

ছবি-ত্রিনদী

নান্দাইলে কবরস্থানে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতককে দত্তক নিলেন চিকিৎসক দম্পতি। রোববার বিকালে নিঃসন্তান চিকিৎসক দম্পতির কাছে নবজাতককে (সাদিয়া বিনতে খান) হস্তান্তর করা হয়।

চিকিৎসক দম্পতি হলেন- ডা. মো. আব্দুস সবুর খান ও ডা. বিউটি খাতুন। তারা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব দলিরাম গ্রামের বাসিন্দা। ওই দম্পতি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক।

নবজাতক দত্তক দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুর রশিদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইনসান আলী, নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো. আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

শনিবার রাতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কার্যালয়ে শিশুকল্যাণ সভায় পাঁচজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে চিকিৎসক দম্পতির আবেদন গ্রহণ করা হয়।

শুক্রবার উপজেলার মুশুল্লি ইউনিয়নের তারেরঘাট রসুলপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে কান্নার শব্দ শুনে নবজাতককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান ব্যাটারিচালিত অটোচালক মো. সুরুজ মিয়া। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে পরিবারের সন্ধান পাননি তিনি। পরে নবজাতককে দত্তক নিতে অনেকেই আবেদন করেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইনসান আলী বলেন, নবজাতক শিশুটিকে নিতে পাঁচজন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নিঃসন্তান চিকিৎসক দম্পতিকে দত্তক দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

কবরস্থানে কুড়িয়ে পাওয়া সেই নবজাতককে দত্তক নিলেন চিকিৎসক দম্পতি

আপডেট : ১১:৩০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

নান্দাইলে কবরস্থানে কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতককে দত্তক নিলেন চিকিৎসক দম্পতি। রোববার বিকালে নিঃসন্তান চিকিৎসক দম্পতির কাছে নবজাতককে (সাদিয়া বিনতে খান) হস্তান্তর করা হয়।

চিকিৎসক দম্পতি হলেন- ডা. মো. আব্দুস সবুর খান ও ডা. বিউটি খাতুন। তারা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব দলিরাম গ্রামের বাসিন্দা। ওই দম্পতি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক।

নবজাতক দত্তক দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুর রশিদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইনসান আলী, নান্দাইল মডেল থানার ওসি মো. আব্দুল মজিদ প্রমুখ।

শনিবার রাতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কার্যালয়ে শিশুকল্যাণ সভায় পাঁচজনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে চিকিৎসক দম্পতির আবেদন গ্রহণ করা হয়।

শুক্রবার উপজেলার মুশুল্লি ইউনিয়নের তারেরঘাট রসুলপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে কান্নার শব্দ শুনে নবজাতককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান ব্যাটারিচালিত অটোচালক মো. সুরুজ মিয়া। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করে পরিবারের সন্ধান পাননি তিনি। পরে নবজাতককে দত্তক নিতে অনেকেই আবেদন করেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ইনসান আলী বলেন, নবজাতক শিশুটিকে নিতে পাঁচজন আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে নিঃসন্তান চিকিৎসক দম্পতিকে দত্তক দেওয়া হয়েছে।