ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সময় কম দেওয়ায় স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন, দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০২:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
  • 190

ছবি-ত্রিনদী

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে সময় কম দেওয়ায় আজহারুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিশেষ অঙ্গ কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর তার দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন বিষপানে আত্মহত্যা করেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাতের কোনো একসময় উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের পাচপোঁতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন বলেন, আজহারুল ইসলাম বিগত চার মাস এই গ্রামে ভাড়া থাকতেন। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ি থেকে কেমন যেন শব্দ শুনতে পায়। পরে আমাকে খবর দিলে চৌকিদার নিয়ে ঘরে ঢুকে দেখি দুজনে অচেতন হয়ে পড়ে আছে। পরে কলারোয়া থানাপুলিশের সহযোগিতায় তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা খাতুনের সঙ্গে স্বামী আজহারুলের নানা সময় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে কম সময় দিতেন। তারই রাগ ও ক্ষোভে শুক্রবার রাতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলেন। প্রথমে তাদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঝর্ণা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বামী আজহারুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আজহারুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে। তার দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রীর নাম রাশিদা খাতুন ও ছোট স্ত্রীর নাম ঝর্ণা খাতুন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

সময় কম দেওয়ায় স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কর্তন, দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট : ০২:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে সময় কম দেওয়ায় আজহারুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির বিশেষ অঙ্গ কেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর তার দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন বিষপানে আত্মহত্যা করেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার রাতের কোনো একসময় উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের পাচপোঁতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন বলেন, আজহারুল ইসলাম বিগত চার মাস এই গ্রামে ভাড়া থাকতেন। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয়রা বাড়ি থেকে কেমন যেন শব্দ শুনতে পায়। পরে আমাকে খবর দিলে চৌকিদার নিয়ে ঘরে ঢুকে দেখি দুজনে অচেতন হয়ে পড়ে আছে। পরে কলারোয়া থানাপুলিশের সহযোগিতায় তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী ঝর্ণা খাতুনের সঙ্গে স্বামী আজহারুলের নানা সময় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে কম সময় দিতেন। তারই রাগ ও ক্ষোভে শুক্রবার রাতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিশেষ অঙ্গ কেটে ফেলেন। প্রথমে তাদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা অবনতি হলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঝর্ণা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্বামী আজহারুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আজহারুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে। তার দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রীর নাম রাশিদা খাতুন ও ছোট স্ত্রীর নাম ঝর্ণা খাতুন।