ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণার পর চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পরিবর্তন এসেছে। এই তিন আসনের মধ্যে দুটিতে এলডিপি ও একটি আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজিলস থেকে প্রার্থী দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে জামায়াত প্রার্থীদের পরিবর্তে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
চাঁদপুর-১ : (কচুয়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে ভোটারদের সাথে পরিচিত হয়ে উঠেন ইসলামী স্কলার মুহাদ্দিন আবু নছর আশারাফী। সমঝোতার কারণে এই আসনে প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান।
চাঁদপুর-২ : (মতলব উত্তর ও মলতব দক্ষিণ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুল মোবিন। তিনিও নির্বাচনে অংশগ্রহনের প্রস্তুতি হিসেবে দুই উপজেলায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন। কিন্তু ১১ দলীয় জোটের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজীকে।
চাঁদপুর-৫: (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে জামায়াত থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসাইনকে। তিনিও নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়। তার পরিবর্তে এই আসনে জোটের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে দেয়া হয়েছে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশিরকে।
চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, জোটের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তারপরেও যারা এতদিন প্রার্থীদের সাথে ছিলেন তাদের কিছুটা মন খারাপ হবে স্বাভাবিক।
Reporter Name 


















