ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, প্রেমিক-প্রেমিকাসহ আটক ১৬ শিক্ষার্থী

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি।

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালে ফাঁকি দিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ওয়াকওয়েতে ঘোরাঘুরি করার সময় ১৬ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে। তারা শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ওয়াকওয়ে এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল। পরে তাদের থানায় নিয়ে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সতর্ক করে তাঁদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, কিশোর গ্যাং নির্মূল, অপরাধপ্রবণতা রোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

শাহরাস্তিতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, প্রেমিক-প্রেমিকাসহ আটক ১৬ শিক্ষার্থী

আপডেট : ০৭:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চলাকালে ফাঁকি দিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ওয়াকওয়েতে ঘোরাঘুরি করার সময় ১৬ শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে। তারা শাহরাস্তি ও কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ওয়াকওয়ে এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল। পরে তাদের থানায় নিয়ে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সতর্ক করে তাঁদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, কিশোর গ্যাং নির্মূল, অপরাধপ্রবণতা রোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবার ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।