ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা গায়েবি মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার মাহবুব আলম মৃধা

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুয়া ও গায়েবী মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধা। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল হক তার দোকানে চাঁদা দাবি করেছে বলে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় ৮ জন এজাহার ভুক্ত আসামি করেন। ৩ নাম্বার আসামি করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধাকে। মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের সাথে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর এসআই ওয়াজেদ আলী ওই মামলার সাক্ষী হয়েছেন।

মামলার বাদী ফজলুল হক এই মামলার আসামি মাহবুব আলম মৃধাকে চিনেন না। ওই মামলার বিষয়ে বাদী ঠিকমতো জানে না, এজাহারে কার কার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গায়েবি মামলার হয়রানির শিকার মাহবুব আলম মৃধা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০১৭ সালে আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক গায়েবি মামলা করা হয়। যাহার মামলার নং ১৪৩/ ১৬। পরে জানতে পারি ওই মামলার বাদী উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল নামের এক ব্যক্তি। ওই মামলার বাদীর সাথে আমার জীবনে কখনো দেখা হয়নি, এমনকি আমি তাকেও চিনি না। গায়েবি মামলাকে কেন্দ্র করে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি ইকবালের নির্দেশে থানার পাশে কর‌ইশ আমার নিজ গ্রামে গিয়ে আমাকে না পেয়ে আমার বাড়িঘরে হামলা এবং আমার পরিবার লোকজনকে হুমকি-ধুমকি প্রদান করে। আমাকে ক্রসফায়ার দেয়ার জন্য বারবার হুমকি-ধুমকি প্রদান করেন ওসি ইকবাল।

ওই মামলার বাদী ফজলুল হক সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বলেন, মাহবুব আলম মৃধা নামে আমি কাউকে আসামি করেনি। ওর সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, আমি তাকে চিনি না। উনাকে কেনো আমার মামলায় আসামি করা হয়েছে তাও আমি জানিনা।

স্থানীয়রা জানান, বিনা অপরাধে গায়েবি মামলায় মাহবুব আলম মৃধা দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছে বিষয়টি দুঃখ জনক। বিনা অপরাধ এই লোকটির দীর্ঘ অনেক বছর হয়রানির শিকার হয়,যেখানে রাগ ক্ষোভ থাকার কথা ছিলো সেখানে বাদীকে বাবার সমতুল্য হিসেবে শ্রদ্ধা সম্মান করেন। এটা আসলে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন, উদারতা মনের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন মাহবুব আলম মৃধা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার

কচুয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা গায়েবি মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার মাহবুব আলম মৃধা

আপডেট : ১১:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ভুয়া ও গায়েবী মামলায় দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধা। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল হক তার দোকানে চাঁদা দাবি করেছে বলে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় ৮ জন এজাহার ভুক্ত আসামি করেন। ৩ নাম্বার আসামি করে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম মৃধাকে। মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের সাথে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি মোঃ ইকবাল হোসেন, সাব ইন্সপেক্টর এসআই ওয়াজেদ আলী ওই মামলার সাক্ষী হয়েছেন।

মামলার বাদী ফজলুল হক এই মামলার আসামি মাহবুব আলম মৃধাকে চিনেন না। ওই মামলার বিষয়ে বাদী ঠিকমতো জানে না, এজাহারে কার কার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গায়েবি মামলার হয়রানির শিকার মাহবুব আলম মৃধা জানান, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০১৭ সালে আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মূলক গায়েবি মামলা করা হয়। যাহার মামলার নং ১৪৩/ ১৬। পরে জানতে পারি ওই মামলার বাদী উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের সরাইলকান্দি গ্রামের ফজলুল নামের এক ব্যক্তি। ওই মামলার বাদীর সাথে আমার জীবনে কখনো দেখা হয়নি, এমনকি আমি তাকেও চিনি না। গায়েবি মামলাকে কেন্দ্র করে তৎকালীন কচুয়া থানার ওসি ইকবালের নির্দেশে থানার পাশে কর‌ইশ আমার নিজ গ্রামে গিয়ে আমাকে না পেয়ে আমার বাড়িঘরে হামলা এবং আমার পরিবার লোকজনকে হুমকি-ধুমকি প্রদান করে। আমাকে ক্রসফায়ার দেয়ার জন্য বারবার হুমকি-ধুমকি প্রদান করেন ওসি ইকবাল।

ওই মামলার বাদী ফজলুল হক সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বলেন, মাহবুব আলম মৃধা নামে আমি কাউকে আসামি করেনি। ওর সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, আমি তাকে চিনি না। উনাকে কেনো আমার মামলায় আসামি করা হয়েছে তাও আমি জানিনা।

স্থানীয়রা জানান, বিনা অপরাধে গায়েবি মামলায় মাহবুব আলম মৃধা দীর্ঘ ১০ বছর হয়রানি শিকার হয়েছে বিষয়টি দুঃখ জনক। বিনা অপরাধ এই লোকটির দীর্ঘ অনেক বছর হয়রানির শিকার হয়,যেখানে রাগ ক্ষোভ থাকার কথা ছিলো সেখানে বাদীকে বাবার সমতুল্য হিসেবে শ্রদ্ধা সম্মান করেন। এটা আসলে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন, উদারতা মনের মানুষ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন মাহবুব আলম মৃধা।