কচুয়া উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের বড় তুলাগাঁও থেকে পিলগিরী পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতেন শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, রোগী, মসজিদের মুসল্লী ও পথচারীরা। দীর্ঘ ৩০ বছর রাস্তাটি সংস্কার ও মেরামতের অভাবে যানবাহন চলাচল অনেকটাই অসম্ভব ছিল। গ্রামবাসীর কাছে এই রাস্তা ছিলো প্রতিদিনের দুর্ভোগের নাম। স্থানীয়দের চলাচল ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নিজ অর্থায়নে রাস্তাটি সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন,উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, উপজেলা বিএনপির সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ এক মাস ভারী বৃষ্টি বর্ষণে এ রাস্তাটি অধিকাংশ জায়গায় বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়ে ছোটখাটো পুকুরে পরিণতি হয়েছে। যানবাহনের চলাচলের দূরের কথা ও সাধারণ মানুষ চলাচল করতে অনেক কষ্ট হয়। এই রাস্তায় স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। এই এলাকারই কৃতি সন্তান, রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট সমাজসেবক, দানশীল ব্যক্তি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু নিজ অর্থায়নে ইট,বালু দিয়ে রাস্তাটি সংস্কার করায় স্থানীয়দের মাঝে অনেকটা স্বস্তি ফিরেছে।

স্থানীয় কবির হোসেন, ফজলুল হক, আবুল হোসেনসহ অনেকেই জানান,সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তি শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু। এলাকার যেকোনো সমস্যা সমাধানে তাঁর এই নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা সাধারণ মানুষের মাঝে বিশেষ আস্থা তৈরি করেছে।
স্থানীয়রা আরও জানান, কেবল সড়ক সংস্কারই নয়, বরং শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক সহায়তায় তিনি নিয়মিত অবদান রেখে চলেছেন। ভবিষ্যতেও তিনি এমন জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত থেকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন।
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী শাখাওয়াত হোসেন শাক্কু বলেন,আমি অতীতেও এলাকার মানুষের পাশে ছিলাম। আমি সব সময় এলাকার মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে মনে প্রশান্তি পাই। তাই বেহাল এই রাস্তাটির কথা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে আমি আমার নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটি সংস্কার করে দিয়েছি। আমার বাবা-মা অসুস্থ রয়েছে তাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি যেনো আমৃত্য মানুষের কল্যাণে এবং এলাকার উন্নয়নে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করতে পারি। এছাড়া তিনিও সরকারের কাছে জনদুর্ভোগ নিরসনে রাস্তাটি স্থায়ীভাবে পাকা কিংবা ঢালাই করে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য , বাংলাদেশ শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন এমপির সাথে পরামর্শ করেছেন।




























