ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি ওলেনা জেলেনস্কা বলেন শান্তি আসবেনা বিজয় ছাড়া

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৪:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২
  • 163

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি ওলেনা জেলেনস্কা বলেছেন, বিজয় ছাড়া শান্তি আসতে পারে না। আসন্ন শীতের ঠাণ্ডা এবং রুশ হামলার কারণে সৃষ্ট বিদ্যুৎ বিপর্যয় সত্ত্বেও টিকে থাকবে।

বিবিসির প্রধান ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিজ ডুসেটের সঙ্গে আলাপকালে ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি এসব কথা বলেন।

হিমশীতল শৈত্য এবং অন্ধকারে বিপর্যস্ত রাজধানী শহর কিয়েভে ওলেনা জেলেনস্কার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় লিজ ডুসেটের। তারা অবস্থান করছিলেন বেশ কিছু ভবনের এক জটিল গোলকধাঁধার মতো জায়গায়। নিরাপত্তার কারণে যা ছিল বালির বস্তায় সুরক্ষিত।

ওলেনা জেলেনস্কা বলেন, আমরা এটি সহ্য করার জন্য প্রস্তুত। আমাদের অনেক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেককে যুদ্ধের শিকার হতে দেখেছি। এত ধ্বংস দেখেছি যে, বিদ্যুৎহীনতা আমাদের কাছে সবচেয়ে খারাপ জিনিস নয়।

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি সাম্প্রতিক একটি জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তাতে ৯০ শতাংশ ইউক্রেনের নাগরিক বলেছে— ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা দেখলে তারা দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের ঘাটতি নিয়ে থাকতে প্রস্তুত।

আলাপচারিতায় জেলেনস্কা স্বীকার করেছেন, কঠিন শীতের মধ্যে পথটি ভয়ঙ্কর ও দীর্ঘ হবে। ম্যারাথন দৌড়ানো এক হিসাবে সহজ, যখন আপনি জানেন কত কিলোমিটার বাকি আছে। তবে এ যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউক্রেনীয়রা জানে না তাদের কতটা দৌড়াতে হবে। কখনো কখনো এটা খুব কঠিন হতে পারে। কিন্তু কিছু নতুন আবেগের জন্ম হয়েছে, যা আমাদের মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করে।

যুদ্ধের কারণে সব ইউক্রেনীয় শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেন ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

বীরগঞ্জে আগাম ফুলকপি চাষ: ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি ওলেনা জেলেনস্কা বলেন শান্তি আসবেনা বিজয় ছাড়া

আপডেট : ০৪:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি ওলেনা জেলেনস্কা বলেছেন, বিজয় ছাড়া শান্তি আসতে পারে না। আসন্ন শীতের ঠাণ্ডা এবং রুশ হামলার কারণে সৃষ্ট বিদ্যুৎ বিপর্যয় সত্ত্বেও টিকে থাকবে।

বিবিসির প্রধান ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিজ ডুসেটের সঙ্গে আলাপকালে ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি এসব কথা বলেন।

হিমশীতল শৈত্য এবং অন্ধকারে বিপর্যস্ত রাজধানী শহর কিয়েভে ওলেনা জেলেনস্কার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় লিজ ডুসেটের। তারা অবস্থান করছিলেন বেশ কিছু ভবনের এক জটিল গোলকধাঁধার মতো জায়গায়। নিরাপত্তার কারণে যা ছিল বালির বস্তায় সুরক্ষিত।

ওলেনা জেলেনস্কা বলেন, আমরা এটি সহ্য করার জন্য প্রস্তুত। আমাদের অনেক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেককে যুদ্ধের শিকার হতে দেখেছি। এত ধ্বংস দেখেছি যে, বিদ্যুৎহীনতা আমাদের কাছে সবচেয়ে খারাপ জিনিস নয়।

ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি সাম্প্রতিক একটি জরিপের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তাতে ৯০ শতাংশ ইউক্রেনের নাগরিক বলেছে— ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা দেখলে তারা দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিদ্যুতের ঘাটতি নিয়ে থাকতে প্রস্তুত।

আলাপচারিতায় জেলেনস্কা স্বীকার করেছেন, কঠিন শীতের মধ্যে পথটি ভয়ঙ্কর ও দীর্ঘ হবে। ম্যারাথন দৌড়ানো এক হিসাবে সহজ, যখন আপনি জানেন কত কিলোমিটার বাকি আছে। তবে এ যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইউক্রেনীয়রা জানে না তাদের কতটা দৌড়াতে হবে। কখনো কখনো এটা খুব কঠিন হতে পারে। কিন্তু কিছু নতুন আবেগের জন্ম হয়েছে, যা আমাদের মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করে।

যুদ্ধের কারণে সব ইউক্রেনীয় শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেন ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি।