ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৬:২৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩
  • 136

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছেন ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনের উপকূলে এমকিউ–৯ মডেলের ওই ড্রোন ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক শাখার মুখপাত্রও।

এমন সময় মার্কিন ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা ঘটল, যখন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত চলছে। এ সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠীর তৎপরতায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ওয়াশিংটন। এই অঞ্চলে ইসরায়েলের মূল প্রতিপক্ষ ইরান।

এর আগে গত মাসে ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিলেন হুতিরা। ওই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো ধ্বংস করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ। হামাস–ইসরায়েল সংঘাতের জেরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরি, যুদ্ধজাহাজসহ সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

হুতি বিদ্রোহীদের সমর্থন দেয় ইরান। ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চলছে তাঁদের। ইয়েমেন সরকারকে আবার সমর্থন দিচ্ছে ইরানের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব। এ ছাড়া হামাস–ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে লেবাননের ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

হিজবুল্লাহর উপপ্রধান শেখ নাইম কাসেম চলতি সপ্তাহে বিবিসিকে বলেছেন, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় বেসামরিক লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধ বেধে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে খুবই গুরুতর ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। আর একবার এমন পরিস্থিতি দেখা দিলে তা কেউ থামাতে পারবে না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা

আপডেট : ০৬:২৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৩

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছেন ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। ইয়েমেনের উপকূলে এমকিউ–৯ মডেলের ওই ড্রোন ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক শাখার মুখপাত্রও।

এমন সময় মার্কিন ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা ঘটল, যখন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের সংঘাত চলছে। এ সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠীর তৎপরতায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ওয়াশিংটন। এই অঞ্চলে ইসরায়েলের মূল প্রতিপক্ষ ইরান।

এর আগে গত মাসে ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিলেন হুতিরা। ওই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো ধ্বংস করে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজ। হামাস–ইসরায়েল সংঘাতের জেরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরি, যুদ্ধজাহাজসহ সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

হুতি বিদ্রোহীদের সমর্থন দেয় ইরান। ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চলছে তাঁদের। ইয়েমেন সরকারকে আবার সমর্থন দিচ্ছে ইরানের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী সৌদি আরব। এ ছাড়া হামাস–ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে লেবাননের ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

হিজবুল্লাহর উপপ্রধান শেখ নাইম কাসেম চলতি সপ্তাহে বিবিসিকে বলেছেন, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় বেসামরিক লোকজনের মৃত্যু হচ্ছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধ বেধে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলে খুবই গুরুতর ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। আর একবার এমন পরিস্থিতি দেখা দিলে তা কেউ থামাতে পারবে না।