শিরোনাম:
হাজীগঞ্জে সাড়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ হাজীগঞ্জের রামপুরে সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, জড়িয়ে পড়লো কয়েকটি গ্রাম হাজীগঞ্জে সিগারেট পান করাকে কেন্দ্র করে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ: আহত অর্ধশতাধিক উৎসবমূখর পরিবেশে হাজীগঞ্জে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর উৎসবমুখর পরিবেশে চাঁদপুরেও উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর আওয়ামী লীগের মার্কা আগামী নির্বাচনে থাকবে না-নাহিদ হাজীগঞ্জের মধ্য বড়কুল বিএনপির ইফতার মাহফিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মতলব দক্ষিণে তালিকাভুক্ত দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হাজীগঞ্জে জিয়া পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদ ও উপজেলা কমিটি অনুমোদন

সেহরিতে মাইকে ডাকা নিয়ে মারধরে হাসপাতালে ভর্তি ৩০

ত্রিনদী অনলাইন
ত্রিনদী অনলাইন
আপডেটঃ : রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫
সেহরিতে মাইকে ডাকা নিয়ে মারধরে হাসপাতালে ভর্তি ৩০

পঞ্চগড় সদর উপজেলার একটি হাফিজিয়া মাদরাসায় সেহরিতে মাইক দিয়ে রোজাদারদের ডাকাকে কেন্দ্র করে একটি মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অপর পক্ষেরসহ ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের তেলিপাড়া নেছারিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ওই এলাকার এক বাসিন্দার সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওই মাদরাসার মসজিদের মাইকে প্রতিদিন সেহরিতে খেয়ে রোজা রাখার জন্য রোজাদারদের ডেকে দেয়া হতো। সেহরিতে ডাকাডাকি নিয়ে প্রতিবেশী কায়েদে আজমের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন প্রতিবাদ করেন। পরে কয়েক দিন মাইক বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু ওই সমাজের বেশির ভাগ মানুষ মাইকে ডাকার দাবি জানালে আবারও মাইকে ডাকাডাকি শুরু হয়।

শনিবার সন্ধ্যার সময় বাজার করে ফেরার পথে মাদরাসা শিক্ষক আরিফ হাসান ও মুহতাসিম বিল্লাহকে আটক করেন কায়েদে আজম ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এ সময় বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সাবিনা ইয়াসমিন জুতা দিয়ে এবং কায়েদে আজম লাঠি দিয়ে তাদের মারধর শুরু করেন। খবর পেয়ে মাদরাসার অন্য শিক্ষক ও ছাত্ররা ছুটে এলে ওই দম্পতি ও তাদের স্বজনরা তাদেরও মারধর করে।

এ সময় মাদরাসার পরিচালকের মা গুলজান নেহার (৫০) ও তিনজন শিক্ষক ও ২১ জন ছাত্র আহত হন। অপর পক্ষের কায়েদে আজম ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনও আহত হন। তাদের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মাদরাসা ছাত্র রিশাদ বলেন, ‘আমি পানি খাচ্ছিলাম। এ সময় একজন এসে আমার হাতে লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এভাবে তারা আমাদের মাদরাসা শিক্ষক-ছাত্রদের মারধর করেছে।’

মাদরাসা ছাত্র রেজওয়ান সরকার বলেন, ‘আমাদের দুজন শিক্ষককে মারধরের খবর পেয়ে আমরা এগিয়ে গেলে আমাদেরও নির্বিচারে মারধর করা হয়। আমাদের ঘর ভাঙচুর করা হয়।’

মাদরাসার শিক্ষক মুহতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘৫-৭ বছর আগে মাদরাসার জমি নিয়ে তাদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। এখন তারা সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু করে। মাইকে সেহরিতে ডাকার বিষয়ে তারা আপত্তি জানালে আমরা কিছুদিন মাইক বন্ধ রাখি। পরে বেশির ভাগ মানুষ ডাকার বিষয়ে দাবি জানালে পরে আবার ডাকা শুরু হয়। তবে মাইক অন্যদিকে ঘুরে দেয়া হয়। এতে তারা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিকেলে আমরা ফেরার পথে আমাদের আটক করে মারধর শুরু করে। কায়েদে আজমের স্ত্রী জুতা দিয়ে এবং সে লাঠি দিয়ে মারধর করতে শুরু করেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

ফেসবুক

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০