ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেলের বাজারে আগুন, যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধ্বস

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • 252

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিলো। অবশেষে তা বাস্তব হলো। শুধু তাই নয় যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারও ধ্বসে পড়ছে। হতাস হয়ে পড়ছে বিনিয়োগকারীরা।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম রবিবার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ক্রুড তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭৭ ডলারে, যা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি।

তেলের এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের দামও সামান্য কমেছে।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। কখনো যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়ছে, আবার কখনো উত্তেজনা কমে যাওয়ায় তা কমছে।

বিশ্বের বড় তেল উৎপাদক দেশগুলোর একটি ইরান। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা, ‘হরমুজ প্রণালী’-এর পাশেই অবস্থিত। এই প্রণালীর মাধ্যমেই বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি তেল পরিবহন হয়।

এই প্রণালী গতকাল বন্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আর তাতেই তেলের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগে গেছে। আর এর প্রভাবটা এখনই টের পেতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে এবার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার

তেলের বাজারে আগুন, যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ধ্বস

আপডেট : ০৯:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিলো। অবশেষে তা বাস্তব হলো। শুধু তাই নয় যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারও ধ্বসে পড়ছে। হতাস হয়ে পড়ছে বিনিয়োগকারীরা।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম রবিবার বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ক্রুড তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭৭ ডলারে, যা ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি।

তেলের এই দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের দামও সামান্য কমেছে।

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা তৈরি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। কখনো যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়ছে, আবার কখনো উত্তেজনা কমে যাওয়ায় তা কমছে।

বিশ্বের বড় তেল উৎপাদক দেশগুলোর একটি ইরান। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা, ‘হরমুজ প্রণালী’-এর পাশেই অবস্থিত। এই প্রণালীর মাধ্যমেই বিশ্বের বড় একটি অংশের জ্বালানি তেল পরিবহন হয়।

এই প্রণালী গতকাল বন্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। আর তাতেই তেলের বাজারে রীতিমতো আগুন লেগে গেছে। আর এর প্রভাবটা এখনই টের পেতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির শেয়ারবাজারে বড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে এবার।