ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

ছবি-সংগৃহিত।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সাপের কামড়ে জেসিমন বেগম (৩০) নামর এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগ বুধবার দিবাগত রাতে নিজ বসতঘরে তার হাতে সাপে কামড় দেয়। তিনি উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের কাইজাংগা গ্রামের মজুমদার বাড়ির দিনমজুর সোলেমান মজুমদারের স্ত্রী।
জানা গেছে, বুধবার রাতে তিন সন্তানের জননী জেসমিন বেগম খাটের নিচ থেকে হাতপাখা তোলার সময় তার হাতে সাপে কামড় দেয়। এসময় স্থানীয় কবিরাজের চিকিৎসা নেন তিনি। কিন্তু সুস্থ না হওয়ায় সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতের স্বামী সোলেমান মিয়া বলেন, তার (স্ত্রী) মৃত্যুতে আমার বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। ছোট তিন সন্তানের লালন-পালন নিয়ে আমাকে বিপাকে পড়তে হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানভীর হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই জেসমিন বেগম মারা গেছেন।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

এলাকায় আসেননি, কোনো প্রচার–প্রচারণা চালাননি, তবু পেয়েছেন ১৩৮ ভোট

হাজীগঞ্জে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

Update Time : ১০:১৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সাপের কামড়ে জেসিমন বেগম (৩০) নামর এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
এর আগ বুধবার দিবাগত রাতে নিজ বসতঘরে তার হাতে সাপে কামড় দেয়। তিনি উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের কাইজাংগা গ্রামের মজুমদার বাড়ির দিনমজুর সোলেমান মজুমদারের স্ত্রী।
জানা গেছে, বুধবার রাতে তিন সন্তানের জননী জেসমিন বেগম খাটের নিচ থেকে হাতপাখা তোলার সময় তার হাতে সাপে কামড় দেয়। এসময় স্থানীয় কবিরাজের চিকিৎসা নেন তিনি। কিন্তু সুস্থ না হওয়ায় সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার, আত্মীয়-স্বজনসহ স্থানীয় ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতের স্বামী সোলেমান মিয়া বলেন, তার (স্ত্রী) মৃত্যুতে আমার বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। ছোট তিন সন্তানের লালন-পালন নিয়ে আমাকে বিপাকে পড়তে হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ তানভীর হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই জেসমিন বেগম মারা গেছেন।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি।