ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও এলাকাবাসী। জানা যায়, শাহরাস্তি পৌর ১১ নং ওয়ার্ড ভিংরা গ্ৰামে অবস্থিত ভিংরা জাবালে নুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম লোকচক্ষুর আড়ালে ও কমিটিকে না জানিয়ে মাদ্রাসার মালামাল নিয়ে যায়।

মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো. আবুল বাশার জানান, আমরা কমিটির উল্লেখযোগ্য তিনজনেই ঢাকায় থাকি। মাদ্রাসা শিক্ষক আমাকে গত ২১সেপ্টেম্বর রবিবার ফোন করে জানান তিনি এখানে চাকরি করবেন না। তখন আমি উনাকে জানাই মিটিং এর মাধ্যমে আপনাকে বিদায় আমরা জানাবো কিন্তু এরই মধ্যে উক্ত শিক্ষক লোক চক্ষুর আড়ালে ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মাদ্রাসা থেকে একটি ডিপ ফ্রিজ, একটি আইপিএস, তিনটি সিলিং ফ্যান, একটি গ্যাসের চুলা,একটি গ্যাস সিলিন্ডার,ছয়টি পড়ার টেবিল , একটি কাঠের আলমিরা, তিনটি নূরানীর বোর্ড, মসজিদের একটি মোটর পাম্প হাঁড়ি, পাতিল, প্লাস্টিক চেয়ার ও দুটি টি সিলিং ফ্যানের টাকা নিয়ে চলে যান।

এবিষয়ে শিক্ষক রাশেদ আলম বলেন, আমি যে মালামাল এনেছি তার বেশির ভাগই আমার নিজের ক্রয় করা ছিল,কিছু মালামাল স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা ছিল। এছাড়া মাদরাসা থেকে আমাকে কোন বেতন দেওয়া ও হতো না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হাজীগঞ্জে হ্যাভেন গ্রুপ তারুণ্যের উৎসব মিনি ম্যারাথন উদ্ধোধন  ও পুরস্কার বিতরণ

শাহরাস্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ

Update Time : ০৭:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও এলাকাবাসী। জানা যায়, শাহরাস্তি পৌর ১১ নং ওয়ার্ড ভিংরা গ্ৰামে অবস্থিত ভিংরা জাবালে নুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম লোকচক্ষুর আড়ালে ও কমিটিকে না জানিয়ে মাদ্রাসার মালামাল নিয়ে যায়।

মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি মো. আবুল বাশার জানান, আমরা কমিটির উল্লেখযোগ্য তিনজনেই ঢাকায় থাকি। মাদ্রাসা শিক্ষক আমাকে গত ২১সেপ্টেম্বর রবিবার ফোন করে জানান তিনি এখানে চাকরি করবেন না। তখন আমি উনাকে জানাই মিটিং এর মাধ্যমে আপনাকে বিদায় আমরা জানাবো কিন্তু এরই মধ্যে উক্ত শিক্ষক লোক চক্ষুর আড়ালে ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মাদ্রাসা থেকে একটি ডিপ ফ্রিজ, একটি আইপিএস, তিনটি সিলিং ফ্যান, একটি গ্যাসের চুলা,একটি গ্যাস সিলিন্ডার,ছয়টি পড়ার টেবিল , একটি কাঠের আলমিরা, তিনটি নূরানীর বোর্ড, মসজিদের একটি মোটর পাম্প হাঁড়ি, পাতিল, প্লাস্টিক চেয়ার ও দুটি টি সিলিং ফ্যানের টাকা নিয়ে চলে যান।

এবিষয়ে শিক্ষক রাশেদ আলম বলেন, আমি যে মালামাল এনেছি তার বেশির ভাগই আমার নিজের ক্রয় করা ছিল,কিছু মালামাল স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা ছিল। এছাড়া মাদরাসা থেকে আমাকে কোন বেতন দেওয়া ও হতো না।