ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
কৃষকের মাথায় হাত

কচুয়ায় পানির নিচে তলিয়ে গেছে বোরো ধান ও ভূট্টা

কচুয়ায় পালাখাল মাঠে বোরো ধান পানির নিচে ও ভূট্টা হেলে পড়েছে জমিতে।

কচুয়া উপজেলায় প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে গেছে বোরো ধান ও ভূট্টা। ধান কাটার শুরু হওয়ার মুহুর্তে সোমবার সন্ধার ঘন্টাব্যাপী প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি ও মঙ্গলবারের টানা কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে ফসলি মাঠে হাটু পানি জমে যায়। এতে করে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান ও ভূট্টা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ বছর কচুয়ায় ১৩ হাজার ৪ শত ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয় এবং ৩ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে ভূট্টা চাষ করা হয়।

সরজমিনে মাঠ ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাঠের অর্ধেকেরও বেশি বোরো ধান এখন পানির নিচে। এছাড়াও কচুয়ায় প্রায় ২ হেক্টর জমির ভূট্টা মাটিতে হেলে পড়ে। এছাড়াও কুমড়া,করলা,ঢেঁড়স,বেগুনসহ অন্যান্য সবজি ফসল ৬০/৬৫ ভাগ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় বড়ধরনের ক্ষতির চিন্তায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ জানান, বোরো ধান ও ভূট্টা পানির নিচে তলিয়ে গেলেও এখনই তলিয়ে যাওয়া ফসল বিনষ্ট হয়ে গেছে তা বলা যাচ্ছে না। আমাদের দৃষ্টিতে ফসল পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। আর যদি বৃষ্টি না হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমান সামান্য হবে। টানা বৃষ্টি হলে কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

কৃষকের মাথায় হাত

কচুয়ায় পানির নিচে তলিয়ে গেছে বোরো ধান ও ভূট্টা

আপডেট : ১১:৩০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কচুয়া উপজেলায় প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টিতে পানির নিচে তলিয়ে গেছে বোরো ধান ও ভূট্টা। ধান কাটার শুরু হওয়ার মুহুর্তে সোমবার সন্ধার ঘন্টাব্যাপী প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টি ও মঙ্গলবারের টানা কয়েক ঘন্টার বৃষ্টিতে ফসলি মাঠে হাটু পানি জমে যায়। এতে করে পাকা ও আধাপাকা বোরো ধান ও ভূট্টা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ বছর কচুয়ায় ১৩ হাজার ৪ শত ১৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয় এবং ৩ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে ভূট্টা চাষ করা হয়।

সরজমিনে মাঠ ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মাঠের অর্ধেকেরও বেশি বোরো ধান এখন পানির নিচে। এছাড়াও কচুয়ায় প্রায় ২ হেক্টর জমির ভূট্টা মাটিতে হেলে পড়ে। এছাড়াও কুমড়া,করলা,ঢেঁড়স,বেগুনসহ অন্যান্য সবজি ফসল ৬০/৬৫ ভাগ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় বড়ধরনের ক্ষতির চিন্তায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ জানান, বোরো ধান ও ভূট্টা পানির নিচে তলিয়ে গেলেও এখনই তলিয়ে যাওয়া ফসল বিনষ্ট হয়ে গেছে তা বলা যাচ্ছে না। আমাদের দৃষ্টিতে ফসল পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। আর যদি বৃষ্টি না হয়, তাহলে ক্ষতির পরিমান সামান্য হবে। টানা বৃষ্টি হলে কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।