ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জ মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাত লা-শ উদ্ধার, হোটেল বন্ধ রাখার নির্দেশ ইউএনও’র

ছবি-ত্রিনদী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে।

শনিবার দুপরে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ হোটেল কক্ষের দরজা ভেঙ্গে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে চাঁদপুর থেকে পিবিআই এসে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করে।

পরিচয়হীন অজ্ঞাত ব্যক্তি মো. ইলিয়াস কাজী (৬৫) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের কাজী বাড়ীর আদম আলী কাজীর ছেলে।

মৃত্যু মো. ইলিয়াস কাজীর ছেলে মাহদী হাসান কাজী জানান, আমার বাবা গত ৮ জুন থেকে নিখোঁজ ছিলো। আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১২ জুন ফরিদগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি, যার নং ৬১৮। পরবর্তীতে আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুকে) জানতে পারলাম হাজীগঞ্জে একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আমরা থানায় এসে লাশ সনাক্ত করি।

মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটন জানান, ১২ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় মো. ইলিয়াস কাজী আমাদের হোটেলে উঠেন। পরবর্তীতে ১৩ জুন (শনিবার) দুপর আড়াইটা পর্যন্ত রুমের দরজা বন্ধ এবং কয়েকবার নক করেও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে থানায় ফোন করি। পরে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙ্গে লাশ বের করে আনে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান জানান, বিকেল পর্যন্ত কয়েকবার দরজা নক করেও ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার রায়হান হোটেল মালিক ফারুক হোসেন লিটনকে জানান। লিটন থানায় ফোন করলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙ্গে মরদেহ উদ্ধার। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তিনি সংবাদকর্মীদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কীটনাশক পান করে ইলিয়াস কাজী মৃত্যুবরণ করেছে। তবে ময়নাতদন্তের পর কিভাবে মৃত্যু হয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তাৎক্ষণিক মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলটি বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

হাজীগঞ্জ মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল থেকে অজ্ঞাত লা-শ উদ্ধার, হোটেল বন্ধ রাখার নির্দেশ ইউএনও’র

আপডেট : ০৮:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত মরদেহের পরিচয় মিলেছে।

শনিবার দুপরে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ হোটেল কক্ষের দরজা ভেঙ্গে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে চাঁদপুর থেকে পিবিআই এসে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করে।

পরিচয়হীন অজ্ঞাত ব্যক্তি মো. ইলিয়াস কাজী (৬৫) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের কাজী বাড়ীর আদম আলী কাজীর ছেলে।

মৃত্যু মো. ইলিয়াস কাজীর ছেলে মাহদী হাসান কাজী জানান, আমার বাবা গত ৮ জুন থেকে নিখোঁজ ছিলো। আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ১২ জুন ফরিদগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি, যার নং ৬১৮। পরবর্তীতে আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেইসবুকে) জানতে পারলাম হাজীগঞ্জে একটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আমরা থানায় এসে লাশ সনাক্ত করি।

মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটন জানান, ১২ জুন (শুক্রবার) সন্ধ্যায় মো. ইলিয়াস কাজী আমাদের হোটেলে উঠেন। পরবর্তীতে ১৩ জুন (শনিবার) দুপর আড়াইটা পর্যন্ত রুমের দরজা বন্ধ এবং কয়েকবার নক করেও কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে থানায় ফোন করি। পরে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙ্গে লাশ বের করে আনে।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান জানান, বিকেল পর্যন্ত কয়েকবার দরজা নক করেও ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার রায়হান হোটেল মালিক ফারুক হোসেন লিটনকে জানান। লিটন থানায় ফোন করলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙ্গে মরদেহ উদ্ধার। পরে খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তিনি সংবাদকর্মীদের জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কীটনাশক পান করে ইলিয়াস কাজী মৃত্যুবরণ করেছে। তবে ময়নাতদন্তের পর কিভাবে মৃত্যু হয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তাৎক্ষণিক মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলটি বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।