‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত হয়েছে।
সোমবার সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বিভাগের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং সমবায়ীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা চত্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহজালালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “পল্লী উন্নয়ন ছাড়া দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে আত্মনির্ভরশীল গ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, “সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
এ সময় বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এম এ রহিম পাটোয়ারী, উপজেলা সমবায় সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসিব আব্দুল্লাহ এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান। বক্তারা পল্লী উন্নয়ন, সমবায় কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সমবায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য চারজনকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন—ঋণ ও সঞ্চয় খাতে সেম্ভু চন্দ্র বর্মন, একক উদ্যোক্তা হিসেবে খোকন চন্দ্র রায় ও আরিফুল ইসলাম এবং মৎস্য চাষে লিপি রানী দাস।
সমবায়ী কবির হোসেনের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। আলোচনা সভা শেষে সমবায়ীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।




























