চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর গন্ধর্ব্যপুর (দক্ষিণ) ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে সৌদি অর্থায়নে ঐতিহ্যবাহী কাশিমপুর বড়বাড়ি জামে মসজিদের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন ফয়সাল আল জাহরানি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন ফয়সাল আল জাহরানির সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুল মান্নান ও মো. শাহাজাহান। সংশ্লিষ্টরা জানান, তাঁদের উদ্যোগেই সৌদি আরবের এই বিশিষ্ট শায়েখ বাংলাদেশে এসে মসজিদ নির্মাণের এ উদ্যোগে অংশ নেন।

মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে এবং মো. শাহাজাহানের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রিজওয়ানুল হক টিটু, সেক্রেটারি আমিরুল ইসলাম মুন্সি, উপদেষ্টা দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য শাহ-জালাল খান, বেলায়েত হোসেন ও মোহাম্মদ নূরন্নবী এবং আজীবন সদস্য ইকবাল হোসেন ও আকবর হোসেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গন্ধর্ব্যপুর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু, সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন বেলাল, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম, ইউপি সদস্য মো. আমির হোসেন এবং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে শাহাজাহান, বেলায়েত হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সেলিম মিয়া দুলাল, শাহের আলী, ডা. নেয়ামত উল্লাহ, দেলোয়ার হোসেন, জামাল হোসেন, মোখতার হোসেন দিদার, মাওলানা শাহ সুলতানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সৌদি অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। স্থানীয়রা জানান, মসজিদটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এটি শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবেই নয়, বরং এলাকার ধর্মীয় শিক্ষা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মসজিদ নির্মাণে সৌদি আরবের শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন ফয়সাল আল জাহরানির অর্থায়ন ও সহযোগিতার জন্য এলাকাবাসী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা বলেন, তিনি মসজিদ নির্মাণের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, মহান আল্লাহ যেন তা পূরণ করার তৌফিক দান করেন। পাশাপাশি তারা শায়েখ আব্দুল্লাহ বিন ফয়সাল আল জাহরানির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘ নেক হায়াত ও কল্যাণ কামনা করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক সহযোগিতার এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।



























