পুড়ে যাওয়া ৮টি দোকানের মধ্যে রয়েছে ওই বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরের কাঁচামাল ও মুরগি দোকান, মিজানের কনফেকশনারী ও চা দোকান, ইলিয়াস তপাদারের মুদি ও কনফেকশারী দোকান, মিজানুর রহমানের মুদি ও চা দোকান এবং আব্বাস মিয়ার কনফেকশনারী ও চায়ের দোকান।

জানা গেছে, এদিন রাতে গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মৈশামূড়া গ্রামের বাসিন্দা ও বেলচোঁ বাজারের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের মুদি দোকান পুড়তে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন এবং তারা নিজেরা আগুন নিভানোর চেষ্টা করেন। এর মধ্যে কাঠ ও টিনের ঘর হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তৎক্ষনে ৮টি দোকানঘর ও মালামাল পুড়ে ধ্বংসস্তুফে পরিণত হয়। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের পানিতে ভিজে প¦ার্শবর্তী বেশ কয়েকটি দোকানঘর রক্ষা পেলেও আগুনে তাপ ও পানিতে ভিজে বেশকিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী বেলচোঁ বাজারের ব্যবসায়ী মো. হোসাইন মিজি জানান, বৈদ্যুতিক সট-সার্কিটে আগুনের সূত্রপাত হতে পরে। তিনি বলেন, সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে না এলে পুরো বাজারের একাংশ পুড়ে ছাই হয়ে যেতো। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সম্ভব হয়েছে। তবে ৮টি দোকান পুড়ে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খাঁন খলিলুর রহমান জানান, স্থানীয় ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখনো ক্ষতির পরিমান নির্ধারণ করা হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সট-সার্কিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারণ করে জেলা প্রশাসন ও এমপি মহোদয়ের কাছে পাঠাবো। ক্ষতিগ্রস্তরা সবাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাদেরকে সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।




























