ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের দাবিতে ৪ সন্তানের জনক প্রেমিকের বাড়িতে ৩ সন্তানের জননীর অনশন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১১:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • 44

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে চার সন্তানের জনক পরকীয়া প্রেমিক মমির আলীর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন তিন সন্তানের জননী ও প্রবাসীর স্ত্রী শাহিদা (৪০)। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রেমিক মমির আলী বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে উপজেলার কোকডহড়া ইউনিয়নের সাভার গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মমির আলী সাভার গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন মাছ বিক্রেতা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী শাহিদা একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী জুলহাসের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে মমির আলীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই সম্পর্কের কথা তার স্বামী জেনে যাওয়ার পর তাকে তালাক দেন। এরপর কোনো উপায় না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ছেড়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মমির আলী পলাতক থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কোকডহড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানার পর স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

কচুয়ার খিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের দাবি শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের

বিয়ের দাবিতে ৪ সন্তানের জনক প্রেমিকের বাড়িতে ৩ সন্তানের জননীর অনশন

আপডেট : ১১:৩৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে চার সন্তানের জনক পরকীয়া প্রেমিক মমির আলীর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন তিন সন্তানের জননী ও প্রবাসীর স্ত্রী শাহিদা (৪০)। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রেমিক মমির আলী বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে উপজেলার কোকডহড়া ইউনিয়নের সাভার গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মমির আলী সাভার গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন মাছ বিক্রেতা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী শাহিদা একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী জুলহাসের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে মমির আলীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই সম্পর্কের কথা তার স্বামী জেনে যাওয়ার পর তাকে তালাক দেন। এরপর কোনো উপায় না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ছেড়ে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মমির আলী পলাতক থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কোকডহড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানার পর স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।