ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে বলাখাল পূজা মন্দিরে মহালয়া অনুষ্ঠান

  • সুজন দাস
  • আপডেট : ০৭:১৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • 76

শুভ মহালয়া উপলক্ষ্যে এই বছর প্রতিবছরের মতে গতকাল শনিবার হাজীগঞ্জের বলাখাল চৌধুরী বাড়িতে মহালয়া অনুষ্টিত হয়। ভোর থেকে কার্যক্রম শুরু হয়ে গ্রামের ও বিভিন্ন স্থান থেকে শতাধিক ভক্তের আগ্রমনে ভারী হতে থাকে চৌধুরী বাড়ি। বিভিন্ন বয়সের মা, বোন ও শিক্ষার্থীদের আগ্রমন হয় এই মহালয়া। দেবী পিতৃপক্ষের শেষে দেবীপক্ষের শুরু করে আজকের এই মহালয়ার মাধ্যমে। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের পূণ্যলগ্নেরও শুরু হল গতকাল থেকে। সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীদের বিশ্বাস মহালয়ার মাধ্যমে দেবী দুর্গা পা রেখেছেন মর্ত্যলোকে। বলাখাল উক্ত অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলে শারদাঞ্জলী ফোরাম চাঁদপুর জেলার সাবেক সভাপতি রিপন কুমার সাহা বলেন, দূর্গা মা কে বরণ করে নিতে আজ আমাদের এই আরাধনা। অসুর শক্তির কাছে পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হওয়ার পর চারদিকে শুরু হয় অশুভ শক্তির প্রতাপ। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। তখন দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা। মহালয়ার সময় ঘোর অমাবস্যায় দুর্গা দেবীর মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়। প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি। দুর্গপূজার উপর নানা দিক আলোচনা করেন তিনি।
সকালে সকল সনাতনীদের সাথে তিনিও পিতৃ তর্পন অর্পন করেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হাজীগঞ্জ পৌর কমিটি ভোর ৫টা থেকে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহালয়ার চন্ডীকা পাঠ করেন দ্বিপংকর চক্রবর্ত্তী সৌকত, মানিক সরকার অনুষ্টান পরিচালনায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের মাঝে চন্ডী পাঠ প্রতিযোগীর মাধ্যমে সকাল ৯ টা উক্ত অনুষ্টান সম্পন্ন হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমীর লাল দত্ত, দপ্তর সম্পাদক সুজন দাস, উপস্থিত ছিলো সহ অনেক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলো। উৎসবে সমাপ্তিতে দেশ ও জাতীর জন্য প্রার্থনা ও মাহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১২টি পুজা মণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

হাজীগঞ্জে বলাখাল পূজা মন্দিরে মহালয়া অনুষ্ঠান

আপডেট : ০৭:১৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

শুভ মহালয়া উপলক্ষ্যে এই বছর প্রতিবছরের মতে গতকাল শনিবার হাজীগঞ্জের বলাখাল চৌধুরী বাড়িতে মহালয়া অনুষ্টিত হয়। ভোর থেকে কার্যক্রম শুরু হয়ে গ্রামের ও বিভিন্ন স্থান থেকে শতাধিক ভক্তের আগ্রমনে ভারী হতে থাকে চৌধুরী বাড়ি। বিভিন্ন বয়সের মা, বোন ও শিক্ষার্থীদের আগ্রমন হয় এই মহালয়া। দেবী পিতৃপক্ষের শেষে দেবীপক্ষের শুরু করে আজকের এই মহালয়ার মাধ্যমে। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের পূণ্যলগ্নেরও শুরু হল গতকাল থেকে। সনাতন ধর্ম্বাবলম্বীদের বিশ্বাস মহালয়ার মাধ্যমে দেবী দুর্গা পা রেখেছেন মর্ত্যলোকে। বলাখাল উক্ত অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলে শারদাঞ্জলী ফোরাম চাঁদপুর জেলার সাবেক সভাপতি রিপন কুমার সাহা বলেন, দূর্গা মা কে বরণ করে নিতে আজ আমাদের এই আরাধনা। অসুর শক্তির কাছে পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হওয়ার পর চারদিকে শুরু হয় অশুভ শক্তির প্রতাপ। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। তখন দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা। মহালয়ার সময় ঘোর অমাবস্যায় দুর্গা দেবীর মহাতেজের আলোয় সেই অমাবস্যা দূর হয়। প্রতিষ্ঠা পায় শুভশক্তি। দুর্গপূজার উপর নানা দিক আলোচনা করেন তিনি।
সকালে সকল সনাতনীদের সাথে তিনিও পিতৃ তর্পন অর্পন করেন। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হাজীগঞ্জ পৌর কমিটি ভোর ৫টা থেকে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহালয়ার চন্ডীকা পাঠ করেন দ্বিপংকর চক্রবর্ত্তী সৌকত, মানিক সরকার অনুষ্টান পরিচালনায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের মাঝে চন্ডী পাঠ প্রতিযোগীর মাধ্যমে সকাল ৯ টা উক্ত অনুষ্টান সম্পন্ন হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সমীর লাল দত্ত, দপ্তর সম্পাদক সুজন দাস, উপস্থিত ছিলো সহ অনেক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলো। উৎসবে সমাপ্তিতে দেশ ও জাতীর জন্য প্রার্থনা ও মাহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।