ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিআরবে সড়ক দূর্ঘটনায় হাজীগঞ্জের এক রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ১২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • 209
মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্:
সৌদিআরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ হাজী (৫০) নামে এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম হাটিলা গ্রামের হাজী বাড়ির মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. আরিফুল ইসলাম দীঘদিন রিয়াদ চাকরি করতেন। তিনি সেখানে আরিফ হাজী নামে পরিচিত। রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে নিজ বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে তিনি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি দ্রæতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে আকরাম হাজী মামুন জানান, একমাস পূর্বে তাঁর বাবার ইকামার (কাজের অনুমতিপত্র) শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সেখানে অবৈধ ছিলেন। এর মধ্যে তিনি ইকামার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

তিনি বলেন, ইকামার মেয়াদ না থাকায় বাবার মরদেহ দেশে আনা অনেকটা অসম্ভব। সেখানে আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন, তারা চেষ্টা করছেন। সম্ভব না হলে সেখানেই বাবাকে দাফন করা হবে। এ সময় কান্নাজড়িত কন্ঠে সরকারের প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি জানান, সরকার যেন তার বাবাকে শেষ দেখার ব্যবস্থা করে দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

সৌদিআরবে সড়ক দূর্ঘটনায় হাজীগঞ্জের এক রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু

আপডেট : ১২:১৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্:
সৌদিআরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ হাজী (৫০) নামে এক বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম হাটিলা গ্রামের হাজী বাড়ির মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. আরিফুল ইসলাম দীঘদিন রিয়াদ চাকরি করতেন। তিনি সেখানে আরিফ হাজী নামে পরিচিত। রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে নিজ বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে তিনি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি দ্রæতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে আকরাম হাজী মামুন জানান, একমাস পূর্বে তাঁর বাবার ইকামার (কাজের অনুমতিপত্র) শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সেখানে অবৈধ ছিলেন। এর মধ্যে তিনি ইকামার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে বাসায় ফেরার পথে তার বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।

তিনি বলেন, ইকামার মেয়াদ না থাকায় বাবার মরদেহ দেশে আনা অনেকটা অসম্ভব। সেখানে আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন, তারা চেষ্টা করছেন। সম্ভব না হলে সেখানেই বাবাকে দাফন করা হবে। এ সময় কান্নাজড়িত কন্ঠে সরকারের প্রতি আকুতি জানিয়ে তিনি জানান, সরকার যেন তার বাবাকে শেষ দেখার ব্যবস্থা করে দেন।