ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেনে নিন : তফসিল ঘোষণার পর থেকে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা কী কী করতে পারবেন না

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩
  • ৭০ Time View

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা তাঁদের পদে থেকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে তাঁদের কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলার বিধান রয়েছে।

নির্বচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা’ কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তার উল্লেখ আছে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায়।

সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র।

আচরণ বিধিমালা কার্যকর হয় নির্বাচনপূর্ব সময়ে। আর নির্বাচনপূর্ব সময় বলতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়কে বোঝায়।

আচরণ বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাঁদের সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচনী কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড যোগ করতে পারবেন না। তাঁরা নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না এবং এ উদ্দেশ্যে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হলে তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করতে পারবেন না বা এ–সংক্রান্ত সভায় যোগ দিতে পারবেন না। এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সভাপতি বা সদস্য হয়ে থাকলে বা তাঁর মনোনীত কোনো ব্যক্তি পর্ষদে থাকলে নির্বাচনপূর্ব সময়ে তিনি বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো সভায় সভাপতিত্ব বা অংশ নিতে পারবেন না অথবা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো কাজে জড়িত হতে পারবেন না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

নির্বাচনে আচরণ বিধি যেনো লঙ্গন না হয় সেই দিকে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

জেনে নিন : তফসিল ঘোষণার পর থেকে মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা কী কী করতে পারবেন না

Update Time : ০৭:২৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩

অনলাইন নিউজ ডেস্ক :

দেশের বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা তাঁদের পদে থেকেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে তাঁদের কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলার বিধান রয়েছে।

নির্বচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা’ কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তার উল্লেখ আছে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায়।

সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র।

আচরণ বিধিমালা কার্যকর হয় নির্বাচনপূর্ব সময়ে। আর নির্বাচনপূর্ব সময় বলতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি গেজেটে প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়কে বোঝায়।

আচরণ বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাঁদের সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচনী কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড যোগ করতে পারবেন না। তাঁরা নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না এবং এ উদ্দেশ্যে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হলে তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করতে পারবেন না বা এ–সংক্রান্ত সভায় যোগ দিতে পারবেন না। এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সভাপতি বা সদস্য হয়ে থাকলে বা তাঁর মনোনীত কোনো ব্যক্তি পর্ষদে থাকলে নির্বাচনপূর্ব সময়ে তিনি বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো সভায় সভাপতিত্ব বা অংশ নিতে পারবেন না অথবা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো কাজে জড়িত হতে পারবেন না।