হাজীগঞ্জের বলাখালে বাস স্টপেজের দাবিকে কেন্দ্র করে বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের স্টাফদের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় বাস ভাংচুরের অভিযোগও ওঠে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চাঁদপুর সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লায় নেয়া হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাযায়, হাসপাতালে মোট ১৩ জন চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ৭জনকে ভর্তি দেয়া আছে।
আহতরা হলো হৃদয়, সুমন, আকাশ, শাহআলম, রিদয়, নাহিদ, রেজাউল, আবুল হোসেন, হান্নান, আকরাম হোসেন, আমজাদ, ইমান হোসেন।
বুধবার (২০ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বলাখাল বাজার এলাকায় শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।
পরে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের অনুরোধে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বোগদাদ ও আইদি পরিবহনের বাসগুলো বলাখাল জেএন স্কুল এন্ড কারিগরি কলেজ মাঠে আটক রেখে অন্য সব যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বলাখাল বাজারে বাস স্টপেজ স্থাপনের দাবিতে গত ১৮ মে সোমবারও তারা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। ওই সময় সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে স্টপেজ রাখার সিদ্ধান্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বুধবার পুনরায় আন্দোলনে নামেন তারা।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আবদুল মান্নান জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসের স্টাফদের সাথে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বোগদাদ ও আইদী বাসগুলো বলাখাল জেএন স্কুল এন্ড কারিগরি কলেজ মাঠে রাখা হয়েছে। সড়ক যান চলাচলের জন্য স্বাভাবিক রয়েছে।
এ দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানাযায়, রাত ১০টার দিকে আলীগঞ্জ উপজেলা চত্ত্বরের সম্মুখে আইদী ও বোগদাদ বাসের শ্রমিকদের মারধর করার প্রতিবাদে বাস বন্ধ করে রেখেছে শ্রমিকরা।
স্টাফ রিপোর্টার: 























