ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরের একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব আমাকে মুগ্ধ করেছে-জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার

ছবি-ত্রিনদী

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও সাংবাদিক সমাবেশ খুবই আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি ) বিকেলে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ।

শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী, তিনি শুরুতেই সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও, ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদী, জুলাই এর শহীদদের স্মরণ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার।

তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরের একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনাদের যে একাত্বতা তা আমাকে মুগ্ধ করে। আমি জেলা প্রশাসক যতটা না, কিন্তু আমি রিটানিং অফিসার। সারা বাংলাদেশ জুড়ে আপনারা দেখবে না পোস্টার নাই। আগে গানে গানে নির্বাচনী গান চলতো। এখন সেটা নাই; এবার নির্বাচনে মিছিল নাই, মিটিং নাই।

আমি আপনাদের নিয়ে ভালো আছি। আমি এখানে কথা বলতে গিয়ে ভয় পাচ্ছি না, সাবধানে কথা বলি। অনেকেই প্রেসে কাজ করেন তাদের খোজ রাখি। প্রচার কাজে গণভোটের প্রচার করা হচ্ছে। আমি এতটুকু বলতে পারি, আপনি গণভোট টা দিবেন কাকে দিবেন এটা আপনাদের ইচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমি রিটানিং অফিসার হওয়ার কারনে ভোট দিয়ে ঘুম ভাঙ্গে। প্রেস ক্লাবে একটি ভবন হবে যাতে মানুষ ফ্রেস নিঃশ্বাস নিতে পারে। আপনাদের লেকের পাড়টা সুন্দর করবো। আমার স্বপ্ন আসে বড় একটা জাদুঘর করার। আমি আজকের নব গঠিত কমিটির কাছে কিছু দাবি রাখবো, আমি মনে করি প্রেস রুপসা ইউনিয়ন বিষয়ে প্রতিবেদন করবেন, লিখবেন। ওদের জন্য লিখবেন, তারা যেন একটা সুন্দর নির্বাচন দেখতে পায়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে দেখতে চাই, তাহলে গণভোট দিবেন। প্রত্যেকে নির্বাচনী যত আইন আছে, আপনারা সুন্দর নির্বাচনে সহযোগিতা করবেন। চাঁদপুর যখন শুনব নির্বাচনে মারামারি, হানাহনি নাই তাহলে আমি ধন্য হবো। নির্বাচনে কোন অনিয়ম হয়, এর ব্যত্যয় আমি নাজমুল করবো না। আমি এ রাষ্ট্র চাই না, যে রাষ্ট্রে গণহত্যা হয়, এক লোক দীর্ঘ বছর প্রধানমন্ত্রী হয়; আপনি রাষ্ট্র গঠনে অংশীদার হবেন। আমি জানি বাঙ্গালি হ্যা ও না ভোটের মর্ম বুঝবেন। জনগণের দাবি, শহিদের রক্তের দাবি, ২৪এর গণঅভ্যুত্থানের দাবি একটি বৈষম্যহীন সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা মহান, সম্মান ও গৌরবের পেশা। সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। কারণ তাদের চারদিকে শত্রু মোকাবেলা করতে হয়। আর এই চিত্র শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বেই। চাঁদপুরে সাংবাদিকদের একটিমাত্র ক্লাব এটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হয়। অন্য জেলায় অনেকগুলো প্রেসক্লাব। মতের বিরোধ হলেই আরেকটি প্রেসক্লাব তৈরি হয়। চাঁদপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য আছে। একসাথে থাকলে অনেক উন্নয়ন করা যায়।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকরা যত ভালই কাজ করুক না কেন, কেউ না কেউ তাদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। সাংবাদিকরা জরাজীর্ণ অবস্থা থেকে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়। অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখায়। পেশাগত কারণেই পুলিশ সাংবাদিক একসাথে কাজ করে। অপ্রত্যাশিত তথ্যগুলো সাংবাদিকদের মাধ্যমে পাই। পুলিশ সুপার বলেন, গণভোেট সম্পর্কে আমাদের আরো বেশি করে জানা দরকার। হ্যাঁ ভোট দিবো নাকি না ভোট দিব। আমরা দেশকে এগিয়ে নিব, নাকি পিছিয়ে নিব। চাঁদপুর জেলায় আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সহযোগিতা করব।

চাঁদপুরে শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এইকাজে পুলিশও একটি অংশ। পুলিশ নিরপেক্ষ থাকবে এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারলে একটি ভালো সরকার গঠন করতে পারবো।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপি সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা নিজেদেরকে নিয়ে অনেক কাজ করেন। আমি বলব বঞ্চিত শিশুদের নিয়েও আপনারা কিছু কাজ করবেন। তিনি বলেন, প্রশাসন অনেক কিছু দেখেও কাজ করে না। কিন্তু ওই কাজটি যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তখন চাপে পড়ে হলেও তারা তাদের চাকরির জন্য ওই কাজটি করতে বাধ্য হন। আপনারা যদি নিষ্ঠার সাথে আপনাদের দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। চাঁদপুরে এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক সহমর্মীতা বজায় রয়েছে। আশা করি সামনেও থাকবে। নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সকল রাজনৈতিক দল সহযোগিতা করব।

নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আপনাদেরও ভূমিকা থাকবে। অনিয়মের বিষয়গুলো তুলে ধরুন, আমার দলের লোক হলেও। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়েছে। এই সময়ে যারা এই দেশ শাসন করছেন তারা দেশের মানুষকে চাকর হিসেবে মনে করেছেন। বিগত সরকারের সময় সাংবাদিকরা সত্য লিখতে পারেনি। সাংবাদিকরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে। আপনারা কোন দলের না হয়ে দেশ ও জাতির জন্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে সাংবাদিক মহল। কোন ব্যক্তি কিংবা দলের প্রতি আনুগত্য না হওয়ার অনুরোধ। তিনি বলেন, আগামী দিনে দেশ কোন দিকে যাবে সেটার সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচনে। আগামী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে দেশে কি পিছিয়ে যাবে, নাকি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমি সবাইকে ১২ তারিখে ভোটের পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। তিনি বক্তব্যে দেশের বীর সন্তানদের স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

অতিথির মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, খেলাফত মজলিসের চাঁদপুর জেলা সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, চাঁদপুর শহর জামাতের আমির এডভোকেট মোঃ শাহজাহান খান, গণঅধিকার পরিষদ জেলা কমিটির আহবায়ক আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল, ঢাকাস্থ চাঁদপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শাহরিয়ার পলাশ, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মেহেদী হাসান, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির উর্ধ্বতন পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার হাবিব কাজল, এনসিপি জেলা কমিটির আহ্বায়ক মাহবুব আলম, উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসান, চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলমগীর হোসেন বাহার, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহবুবুর রহমান।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল বিন বাশার, জালাল চৌধুরী, ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, শরীফ চৌধুরী, বিএম হান্নান (বাংলাদেশের পরবর্তীত প্রেক্ষিপট ও সাংবাদিকতা), গিয়াস উদ্দিন মিলন, শাহাদাত হোসেন শান্ত, রহিম বাদশা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহীন, মির্জা জাকির, লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর, রিয়াদ ফেরদৌস, আল ইমরান শোভন, কাদের পলাশ, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন লিটন, সিনিয়র সদস্য মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক দেলোয়ার আহমেদ, ফারুক আহমেদ, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদের সম্পাদক আব্দুর রহমান, দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যাংকার মজিবুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আদালতের এপিপি শামসুল ইসলাম মন্টু, জাতীয় ছাত্র শক্তি চাঁদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক সাগর হোসেন।

উপজেলা সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাইনুল ইসলাম কাজল, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম, মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ, হাইমচর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফারুকুল ইসলাম, শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন, মতলব দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি আমির খসরু, মতলব উত্তর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বোরহান উদ্দিন ডালিম, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তালহা জুবায়ের।

সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের কলা কৌশল বিষয়ে আলোচনা করেন প্রেস ক্লাবের সদস্য মো. ইউনুস উল্লাহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সদস্য মাওলানা আহম্মদ উল্যাহ এবং গীতা পাঠ করেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর। এসময় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সর্বশেষ প্রয়াত সাংবাদিক, দেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ, জুলাই আন্দোলনে শহীদ, শহীদ ওসমান হাদি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রেসক্লাব সদস্য মাওলানা আহম্মদ উল্যাহ।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী।

তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর প্রেসসক্লাব একটি মডেল প্রেস ক্লাব। এখানে পেশাদার সাংবাদিকরা খুবই ঐক্যবদ্ধ। চাঁদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে। সাংবাদিকরা যারা মাঠ পর্যায়ে তারা এসেছেন। নির্বাচনে সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের ভূমিকা রাখবে। আমাদের ৫টি আসনই ভালো আছে। সাংবাদিকদের আরপিও কিছু নীতিমালা আছে। যারা অনুষ্ঠানে এসেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের হাত থেকে ক্রেস্ট ও ফুল গ্রহণের মাধ্যমে অভিষিক্ত হন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী,

নবাগত সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জালাল চৌধুরী, বি এম হান্নান, ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, গিয়াসউদ্দিন মিলন, শাহাদাত হোসেন শান্ত, রহিম বাদশা, সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া, মুনির চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন, মির্জা জাকির, রিয়াদ ফেরদৌস, আল ইমরান শোভন, লক্ষন চন্দ্র সূত্রধর, মাহবুবুর রহমান সুমন, কাদের পলাশ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি শওকত আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল রুবেল, মোশারফ হোসেন লিটন, মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম রনি, চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, তালহা জুবায়ের, কোষাধ্যক্ষ কে এম সালাউদ্দিন, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, সাহিত্য প্রকাশনা ও লাইব্রেরি সম্পাদক মুনাওয়ার কানন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম আর ইসলাম বাবু, সমাজকল্যাণ, আপ্যায়ন ও বিনোদন সম্পাদক সেলিম রেজা, তথ্য প্রযুক্তি ও সেমিনার সম্পাদক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, নির্বাহী সদস্য রোকনুজ্জামান রোকন, ফারুক আহম্মদ, হাসান মাহমুদ, একে আজাদ, মো. নেয়ামত হোসেন, মুহাম্মদ ইলিয়াস পাটওয়ারী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পর্যায়ের প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এসময় সকল অতিথিদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও ক্রেস্ট প্রদান করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

চাঁদপুরের একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব আমাকে মুগ্ধ করেছে-জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার

চাঁদপুরের একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব আমাকে মুগ্ধ করেছে-জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার

Update Time : ১১:৩৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও সাংবাদিক সমাবেশ খুবই আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি ) বিকেলে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

এতে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ।

শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী, তিনি শুরুতেই সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও, ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদী, জুলাই এর শহীদদের স্মরণ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার।

তিনি বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুরের একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনাদের যে একাত্বতা তা আমাকে মুগ্ধ করে। আমি জেলা প্রশাসক যতটা না, কিন্তু আমি রিটানিং অফিসার। সারা বাংলাদেশ জুড়ে আপনারা দেখবে না পোস্টার নাই। আগে গানে গানে নির্বাচনী গান চলতো। এখন সেটা নাই; এবার নির্বাচনে মিছিল নাই, মিটিং নাই।

আমি আপনাদের নিয়ে ভালো আছি। আমি এখানে কথা বলতে গিয়ে ভয় পাচ্ছি না, সাবধানে কথা বলি। অনেকেই প্রেসে কাজ করেন তাদের খোজ রাখি। প্রচার কাজে গণভোটের প্রচার করা হচ্ছে। আমি এতটুকু বলতে পারি, আপনি গণভোট টা দিবেন কাকে দিবেন এটা আপনাদের ইচ্ছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমি রিটানিং অফিসার হওয়ার কারনে ভোট দিয়ে ঘুম ভাঙ্গে। প্রেস ক্লাবে একটি ভবন হবে যাতে মানুষ ফ্রেস নিঃশ্বাস নিতে পারে। আপনাদের লেকের পাড়টা সুন্দর করবো। আমার স্বপ্ন আসে বড় একটা জাদুঘর করার। আমি আজকের নব গঠিত কমিটির কাছে কিছু দাবি রাখবো, আমি মনে করি প্রেস রুপসা ইউনিয়ন বিষয়ে প্রতিবেদন করবেন, লিখবেন। ওদের জন্য লিখবেন, তারা যেন একটা সুন্দর নির্বাচন দেখতে পায়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে দেখতে চাই, তাহলে গণভোট দিবেন। প্রত্যেকে নির্বাচনী যত আইন আছে, আপনারা সুন্দর নির্বাচনে সহযোগিতা করবেন। চাঁদপুর যখন শুনব নির্বাচনে মারামারি, হানাহনি নাই তাহলে আমি ধন্য হবো। নির্বাচনে কোন অনিয়ম হয়, এর ব্যত্যয় আমি নাজমুল করবো না। আমি এ রাষ্ট্র চাই না, যে রাষ্ট্রে গণহত্যা হয়, এক লোক দীর্ঘ বছর প্রধানমন্ত্রী হয়; আপনি রাষ্ট্র গঠনে অংশীদার হবেন। আমি জানি বাঙ্গালি হ্যা ও না ভোটের মর্ম বুঝবেন। জনগণের দাবি, শহিদের রক্তের দাবি, ২৪এর গণঅভ্যুত্থানের দাবি একটি বৈষম্যহীন সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা মহান, সম্মান ও গৌরবের পেশা। সাংবাদিকতা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। কারণ তাদের চারদিকে শত্রু মোকাবেলা করতে হয়। আর এই চিত্র শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বেই। চাঁদপুরে সাংবাদিকদের একটিমাত্র ক্লাব এটি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হয়। অন্য জেলায় অনেকগুলো প্রেসক্লাব। মতের বিরোধ হলেই আরেকটি প্রেসক্লাব তৈরি হয়। চাঁদপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য আছে। একসাথে থাকলে অনেক উন্নয়ন করা যায়।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকরা যত ভালই কাজ করুক না কেন, কেউ না কেউ তাদের দোষ-ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। সাংবাদিকরা জরাজীর্ণ অবস্থা থেকে মানুষকে মুক্তির পথ দেখায়। অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখায়। পেশাগত কারণেই পুলিশ সাংবাদিক একসাথে কাজ করে। অপ্রত্যাশিত তথ্যগুলো সাংবাদিকদের মাধ্যমে পাই। পুলিশ সুপার বলেন, গণভোেট সম্পর্কে আমাদের আরো বেশি করে জানা দরকার। হ্যাঁ ভোট দিবো নাকি না ভোট দিব। আমরা দেশকে এগিয়ে নিব, নাকি পিছিয়ে নিব। চাঁদপুর জেলায় আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য সহযোগিতা করব।

চাঁদপুরে শান্তি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এইকাজে পুলিশও একটি অংশ। পুলিশ নিরপেক্ষ থাকবে এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে পারলে একটি ভালো সরকার গঠন করতে পারবো।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপি সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা নিজেদেরকে নিয়ে অনেক কাজ করেন। আমি বলব বঞ্চিত শিশুদের নিয়েও আপনারা কিছু কাজ করবেন। তিনি বলেন, প্রশাসন অনেক কিছু দেখেও কাজ করে না। কিন্তু ওই কাজটি যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তখন চাপে পড়ে হলেও তারা তাদের চাকরির জন্য ওই কাজটি করতে বাধ্য হন। আপনারা যদি নিষ্ঠার সাথে আপনাদের দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। চাঁদপুরে এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক সহমর্মীতা বজায় রয়েছে। আশা করি সামনেও থাকবে। নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সকল রাজনৈতিক দল সহযোগিতা করব।

নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আপনাদেরও ভূমিকা থাকবে। অনিয়মের বিষয়গুলো তুলে ধরুন, আমার দলের লোক হলেও। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়েছে। এই সময়ে যারা এই দেশ শাসন করছেন তারা দেশের মানুষকে চাকর হিসেবে মনে করেছেন। বিগত সরকারের সময় সাংবাদিকরা সত্য লিখতে পারেনি। সাংবাদিকরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে। আপনারা কোন দলের না হয়ে দেশ ও জাতির জন্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন। দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে সাংবাদিক মহল। কোন ব্যক্তি কিংবা দলের প্রতি আনুগত্য না হওয়ার অনুরোধ। তিনি বলেন, আগামী দিনে দেশ কোন দিকে যাবে সেটার সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচনে। আগামী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে দেশে কি পিছিয়ে যাবে, নাকি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমি সবাইকে ১২ তারিখে ভোটের পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী। তিনি বক্তব্যে দেশের বীর সন্তানদের স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

অতিথির মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সলিম উল্লাহ সেলিম, চাঁদপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া, খেলাফত মজলিসের চাঁদপুর জেলা সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, চাঁদপুর শহর জামাতের আমির এডভোকেট মোঃ শাহজাহান খান, গণঅধিকার পরিষদ জেলা কমিটির আহবায়ক আশরাফুজ্জামান কাজী রাসেল, ঢাকাস্থ চাঁদপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি শাহরিয়ার পলাশ, চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন মেহেদী হাসান, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির উর্ধ্বতন পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার হাবিব কাজল, এনসিপি জেলা কমিটির আহ্বায়ক মাহবুব আলম, উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসান, চাঁদপুর সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলমগীর হোসেন বাহার, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহবুবুর রহমান।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল বিন বাশার, জালাল চৌধুরী, ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, শরীফ চৌধুরী, বিএম হান্নান (বাংলাদেশের পরবর্তীত প্রেক্ষিপট ও সাংবাদিকতা), গিয়াস উদ্দিন মিলন, শাহাদাত হোসেন শান্ত, রহিম বাদশা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহীন, মির্জা জাকির, লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর, রিয়াদ ফেরদৌস, আল ইমরান শোভন, কাদের পলাশ, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন লিটন, সিনিয়র সদস্য মুনির চৌধুরী, অধ্যাপক দেলোয়ার আহমেদ, ফারুক আহমেদ, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদের সম্পাদক আব্দুর রহমান, দৈনিক আলোকিত চাঁদপুর পত্রিকার সম্পাদক জাকির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যাংকার মজিবুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আদালতের এপিপি শামসুল ইসলাম মন্টু, জাতীয় ছাত্র শক্তি চাঁদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক সাগর হোসেন।

উপজেলা সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য দেন শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাইনুল ইসলাম কাজল, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম, মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ, হাইমচর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফারুকুল ইসলাম, শাহরাস্তি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নোমান হোসেন, মতলব দক্ষিণ প্রেসক্লাবের সভাপতি আমির খসরু, মতলব উত্তর প্রেস ক্লাবের সভাপতি বোরহান উদ্দিন ডালিম, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তালহা জুবায়ের।

সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের কলা কৌশল বিষয়ে আলোচনা করেন প্রেস ক্লাবের সদস্য মো. ইউনুস উল্লাহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সদস্য মাওলানা আহম্মদ উল্যাহ এবং গীতা পাঠ করেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মণ চন্দ্র সূত্রধর। এসময় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সর্বশেষ প্রয়াত সাংবাদিক, দেশের বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ, জুলাই আন্দোলনে শহীদ, শহীদ ওসমান হাদি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রেসক্লাব সদস্য মাওলানা আহম্মদ উল্যাহ।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী।

তিনি সমাপনী বক্তব্যে বলেন, চাঁদপুর প্রেসসক্লাব একটি মডেল প্রেস ক্লাব। এখানে পেশাদার সাংবাদিকরা খুবই ঐক্যবদ্ধ। চাঁদপুর প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করবে। সাংবাদিকরা যারা মাঠ পর্যায়ে তারা এসেছেন। নির্বাচনে সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের ভূমিকা রাখবে। আমাদের ৫টি আসনই ভালো আছে। সাংবাদিকদের আরপিও কিছু নীতিমালা আছে। যারা অনুষ্ঠানে এসেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারের হাত থেকে ক্রেস্ট ও ফুল গ্রহণের মাধ্যমে অভিষিক্ত হন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী,

নবাগত সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জালাল চৌধুরী, বি এম হান্নান, ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী, গিয়াসউদ্দিন মিলন, শাহাদাত হোসেন শান্ত, রহিম বাদশা, সিনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া, মুনির চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম শাহীন, মির্জা জাকির, রিয়াদ ফেরদৌস, আল ইমরান শোভন, লক্ষন চন্দ্র সূত্রধর, মাহবুবুর রহমান সুমন, কাদের পলাশ, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি শওকত আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল রুবেল, মোশারফ হোসেন লিটন, মোরশেদ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম রনি, চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম, তালহা জুবায়ের, কোষাধ্যক্ষ কে এম সালাউদ্দিন, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, সাহিত্য প্রকাশনা ও লাইব্রেরি সম্পাদক মুনাওয়ার কানন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম আর ইসলাম বাবু, সমাজকল্যাণ, আপ্যায়ন ও বিনোদন সম্পাদক সেলিম রেজা, তথ্য প্রযুক্তি ও সেমিনার সম্পাদক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, নির্বাহী সদস্য রোকনুজ্জামান রোকন, ফারুক আহম্মদ, হাসান মাহমুদ, একে আজাদ, মো. নেয়ামত হোসেন, মুহাম্মদ ইলিয়াস পাটওয়ারী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পর্যায়ের প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এসময় সকল অতিথিদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও ক্রেস্ট প্রদান করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নবাগত সভাপতি সোহেল রুশদী।