ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধেররা মাছ বাজারের ইজারা বিরোধ সমাধান

ছবি-ত্রিনদী

হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ধেররা মাছ বাজারের ইজারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি বিরোধ নিরসন করা হয়েছে। গত রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে পৌরসভা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন’সহ পৌরসভার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ (ইজারাদার ও আড়ৎদার) ৬ শর্তে ইজারা বিরোধ নিয়ে সমস্যা সমাধান করা হয়।

শর্তগুলো হলো, পৌরসভা কর্তৃক ইজারার ধায্যকৃত টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকিবে। অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও ইজারাদারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরন দিতে বাধ্য থাকিবে। ফৌজদারী মামলায় নির-অপরাধ বিবাদীদের নাম প্রত্যাহার করা হবে। অপরাধী বিবাদীদের শাস্তি হোক, এ বিষয় সকল ব্যবসায়ী একমত।

ভবিষ্যতে ইজারাদারের প্রতি কোনপ্রকার বাধাগ্রস্থ করবেনা, যদি কেউ বাধাগ্রস্থ করে তার বা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং চাঁদপুর দেওয়ানী মামলা ১০২/২৩ প্রত্যাহার করে নিবে। এসময় পক্ষগনের মধ্যে মধ্যে জাহাঙ্গীর বেপারী, মো. শাহাদাত, শাহীন হোসেন, শ্রীকান্ত দাস ও লক্ষীকান্ত স্বাক্ষর করেন।

এছাড়া উপস্থিতি হিসেবে মো. সারওয়ার মুন্সী, খোরশেদ আলম ভুট্টু, বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, মো. হুমায়ুন কবির সুমন, দীলিপ কুমার সাহা, মাইনুদ্দিন খান রনক, আব্দুল জলিল, মো. শাহাদাত, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল কাদের তালুকদার, সনজয় সাহা, জসিম খান, শাহআলম, মজিবুল হক মঞ্জু, ওমর ফারুক টিটু, জামাল উদ্দিন তালুকদার, এমরান হোসেন, সফিকুর রহমান ও মো. ইদ্রিস মিয়া স্বাক্ষর করেন।

প্রসঙ্গত, আড়ৎ ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদ এবং ইজারা সংক্রান্ত কারণে গত ১৫ এপ্রিল, বুধবার মৎস্য আড়তে ইজারাদার পক্ষের লোকজনের সাথে ব্যবসায়ী ও দোকানঘরের মালিকদের মাঝে হামলা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের লোকজন গুরুতর আহত হন এবং এ ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা দায়ের করেন।

এরপর থেকে আড়ৎগুলো বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে গত ১৯ এপ্রিল, রোববার পৌরসভা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন’সহ পৌরসভার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ (ইজারাদার ও আড়ৎদার) ৬ শর্তে ইজারা বিরোধ নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করেন।

এর আগে ২০২২ সালে পৌরসভা কর্তৃক ইজারা বন্ধের দাবি জানিয়ে আড়ৎদারদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের আলোকে গত ৪ বছর ইজারা দেয়নি পৌরসভা। সবশেষ চলতি বাংলা সনে আবারো মৎস্য বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়। এই ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন, অনুপস্থিত ৭১ জন

ধেররা মাছ বাজারের ইজারা বিরোধ সমাধান

Update Time : ১১:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ধেররা মাছ বাজারের ইজারাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি বিরোধ নিরসন করা হয়েছে। গত রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে পৌরসভা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন’সহ পৌরসভার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ (ইজারাদার ও আড়ৎদার) ৬ শর্তে ইজারা বিরোধ নিয়ে সমস্যা সমাধান করা হয়।

শর্তগুলো হলো, পৌরসভা কর্তৃক ইজারার ধায্যকৃত টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকিবে। অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও ইজারাদারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্ষতিপূরন দিতে বাধ্য থাকিবে। ফৌজদারী মামলায় নির-অপরাধ বিবাদীদের নাম প্রত্যাহার করা হবে। অপরাধী বিবাদীদের শাস্তি হোক, এ বিষয় সকল ব্যবসায়ী একমত।

ভবিষ্যতে ইজারাদারের প্রতি কোনপ্রকার বাধাগ্রস্থ করবেনা, যদি কেউ বাধাগ্রস্থ করে তার বা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং চাঁদপুর দেওয়ানী মামলা ১০২/২৩ প্রত্যাহার করে নিবে। এসময় পক্ষগনের মধ্যে মধ্যে জাহাঙ্গীর বেপারী, মো. শাহাদাত, শাহীন হোসেন, শ্রীকান্ত দাস ও লক্ষীকান্ত স্বাক্ষর করেন।

এছাড়া উপস্থিতি হিসেবে মো. সারওয়ার মুন্সী, খোরশেদ আলম ভুট্টু, বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, মো. হুমায়ুন কবির সুমন, দীলিপ কুমার সাহা, মাইনুদ্দিন খান রনক, আব্দুল জলিল, মো. শাহাদাত, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল কাদের তালুকদার, সনজয় সাহা, জসিম খান, শাহআলম, মজিবুল হক মঞ্জু, ওমর ফারুক টিটু, জামাল উদ্দিন তালুকদার, এমরান হোসেন, সফিকুর রহমান ও মো. ইদ্রিস মিয়া স্বাক্ষর করেন।

প্রসঙ্গত, আড়ৎ ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদ এবং ইজারা সংক্রান্ত কারণে গত ১৫ এপ্রিল, বুধবার মৎস্য আড়তে ইজারাদার পক্ষের লোকজনের সাথে ব্যবসায়ী ও দোকানঘরের মালিকদের মাঝে হামলা ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের লোকজন গুরুতর আহত হন এবং এ ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা দায়ের করেন।

এরপর থেকে আড়ৎগুলো বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে গত ১৯ এপ্রিল, রোববার পৌরসভা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন’সহ পৌরসভার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ (ইজারাদার ও আড়ৎদার) ৬ শর্তে ইজারা বিরোধ নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করেন।

এর আগে ২০২২ সালে পৌরসভা কর্তৃক ইজারা বন্ধের দাবি জানিয়ে আড়ৎদারদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের আলোকে গত ৪ বছর ইজারা দেয়নি পৌরসভা। সবশেষ চলতি বাংলা সনে আবারো মৎস্য বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়। এই ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।