ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ী ভাংচুরের পর রাতে ডিল পাথর নিক্ষেপ, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার! সুষ্ঠু বিচারের দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫৯ Time View

শাহরাস্তির বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কাজী হুমায়ুন কবিরের বসত বাড়ী এ ভাবেই ভাংচুর করে দূবৃর্ত্তরা। 

শাহরাস্তিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক নেতার বাড়ী ভাংচুরের পর গভীর রাতে ডিল পাথর নিক্ষেপ করছে দূবৃর্ত্তরা। এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
জানা যায়,  শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের শংকর পুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও ৩  বারের নির্বাচিত সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবিরের বসত বাড়ী, বাড়ীর ইটের তৈরি  সীমানা প্রাচীর, টিনের বেড়া ভাংচুর ও লুটপাট চালায় কাজী অনিক(২৭)  তার ভাই কাজী অন্তর (৩০) উভয় পিতা: কাজী খোরশেদ আলম নেতৃত্বে ১০/১১ জন। দূবৃর্ত্তরা সন্ত্রাসীরা অশালীন গালিগালাজ লুটপাট, হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবিরের ছোট ছেলে কাজী মাসুদুর রহমানের স্ত্রী খায়রুন নাহার কলি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাকে অশালীন গালিগালাজ বাঁশ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে।
এ সময় সন্ত্রাসী কায়দায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ও জানালা ভাংচুর ও হামলা চালায়। এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে, যার নং ১৩, তাং ১৭.০৪.২০২৬ ইং। এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির জানান,  দূবৃর্ত্তরা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে গত ১৮.০৪.২০২৬ ইং উল্টো সংবাদ সন্মেলনের নামে কতিপয় মোবাইল ফোনের লাইভে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রাম ও এলাকা বাসীকে জড়িয়ে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মিথ্যাচার করে। তারা উল্লেখ করেন গ্রাম ও  এলাকাবাসী এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আমাদের সাথে ছিল। বিষয়টি গ্রাম ও এলাকাবাসীর নজরে আসলে এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। গ্রাম ও এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে,গত ২২ এপ্রিল রাতে মামলার বিবাদী কাজী ইসমাইল হোসেন পিতা: কাজী দেলোয়ার হোসেন, সাং শংকরপুর, তার ফেসবুক ফেইজে গ্রাম ও এলাকাবাসীকে ঘটনার সাথে  জড়িয়ে যে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে তার জন্য গ্রাম ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে দুঃখ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য,  বিবাদীগন তাদের ফেইসবুক ফেইসে বাদীর বিরুদ্ধে অনৈতিক অশালীন ভাষায় মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রচার করে আসছে। বিদেশে অবস্থানরত কয়েকজন তাদের পরিবারের মাধ্যমে কাজী হুমায়ুন কবিরের ওমরা হজ্বে থাকা কালীন শংকর পুর মাদ্রাসার জমি দখল করে নেয়।  মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ঘরটি মাদ্রাসা ভবন করার জন্য ভেঙে ফেলে। এ সুযোগে তারা মাদ্রাসার জমি দখল করে।
বর্তমানে কাজী হুমায়ুন কবিরের বাড়ীটি ভাংচুর করার পর সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে মোঃ ফারুক হোসেন(৩৭), ফরহাদ(৩৫), আল আমিন(৩৩) মামুন (২৭)  তাদের ফেইসবুক ফেইসে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে প্রচার করছে। যাহা কাজী হুমায়ুন কবিরের জন্য মানহানিকর। উল্লেখ্য, গত ০৬.০৮.২০০৬ ইং কাজী খোরশেদ আলমের ভাগিনা শংকর পুর গুচ্ছ গ্রামের জনৈক নারী (৩০) সাথে অনৈতিক কাজ করায় অবৈধ সন্তান গর্ভে আসাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী সামাজিক ভাবে তার বিষয়ে ইসলামী ফরায়েজ অনুযায়ী বিচার কার্য করে। এতে আলীগঞ্জ মাদ্দাখাঁ মসজিদের ইমাম আবদুর রব আলকাদরী ইসলামি শরীয়া ফতুয়া  অনুযায়ী তাকে ৩ থেকে ৩৯ বার জুতা পেটা বা বেএাগাত করার সিদ্ধান্ত দিয়ে বিচার কার্য সম্পন্ন করা হয়।
এ ঘটনার পর তা বিভিন্ন পএিকায় প্রকাশিত হলে তৎকালীন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য কাজী হুমায়ুন কবিরকে সন্দেহ করে। ঐ সময় কাজী খোরশেদ আলম তার ভাগিনা ও ৩/৪ জন কে সাথে  নিয়ে কাজী হুমায়ুনের বাড়ীর দরজার গেইট বন্ধ থাকায়,অশালীন ভাষায় জোর চিৎকার দিয়ে বলে, গেইট বন্ধ, না হয় তোকে চুরি মেরে ঝুলি ফেলে দিতাম বলে হুমকি দুমকি দিলে তৎসময় গত ০৬.০৮.২০০৬ ইং কাজী হুমায়ুন কবির একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নং ১৬১. তার পর থেকেই দূবৃর্ত্তরা কাজী হুমায়ুন কবিরের পেছনে লেগে ক্ষতি করে আসছে।
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।  এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দূবৃর্ত্তদের কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তির দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কাজী হুমায়ুন কবির ও তার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও তিনি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হাজীগঞ্জে ডাকাতিয়া নদীর পানি দূষণ: নদীপাড়ের মানুষের চরম দুর্ভোগ

শাহরাস্তিতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়ী ভাংচুরের পর রাতে ডিল পাথর নিক্ষেপ, নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার! সুষ্ঠু বিচারের দাবি

Update Time : ১১:০৬:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
শাহরাস্তিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক নেতার বাড়ী ভাংচুরের পর গভীর রাতে ডিল পাথর নিক্ষেপ করছে দূবৃর্ত্তরা। এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
জানা যায়,  শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের শংকর পুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও ৩  বারের নির্বাচিত সভাপতি কাজী হুমায়ুন কবিরের বসত বাড়ী, বাড়ীর ইটের তৈরি  সীমানা প্রাচীর, টিনের বেড়া ভাংচুর ও লুটপাট চালায় কাজী অনিক(২৭)  তার ভাই কাজী অন্তর (৩০) উভয় পিতা: কাজী খোরশেদ আলম নেতৃত্বে ১০/১১ জন। দূবৃর্ত্তরা সন্ত্রাসীরা অশালীন গালিগালাজ লুটপাট, হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবিরের ছোট ছেলে কাজী মাসুদুর রহমানের স্ত্রী খায়রুন নাহার কলি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাকে অশালীন গালিগালাজ বাঁশ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে।
এ সময় সন্ত্রাসী কায়দায় বীর মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ও জানালা ভাংচুর ও হামলা চালায়। এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে, যার নং ১৩, তাং ১৭.০৪.২০২৬ ইং। এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির জানান,  দূবৃর্ত্তরা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে গত ১৮.০৪.২০২৬ ইং উল্টো সংবাদ সন্মেলনের নামে কতিপয় মোবাইল ফোনের লাইভে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রাম ও এলাকা বাসীকে জড়িয়ে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মিথ্যাচার করে। তারা উল্লেখ করেন গ্রাম ও  এলাকাবাসী এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আমাদের সাথে ছিল। বিষয়টি গ্রাম ও এলাকাবাসীর নজরে আসলে এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। গ্রাম ও এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে,গত ২২ এপ্রিল রাতে মামলার বিবাদী কাজী ইসমাইল হোসেন পিতা: কাজী দেলোয়ার হোসেন, সাং শংকরপুর, তার ফেসবুক ফেইজে গ্রাম ও এলাকাবাসীকে ঘটনার সাথে  জড়িয়ে যে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে তার জন্য গ্রাম ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে দুঃখ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য,  বিবাদীগন তাদের ফেইসবুক ফেইসে বাদীর বিরুদ্ধে অনৈতিক অশালীন ভাষায় মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রচার করে আসছে। বিদেশে অবস্থানরত কয়েকজন তাদের পরিবারের মাধ্যমে কাজী হুমায়ুন কবিরের ওমরা হজ্বে থাকা কালীন শংকর পুর মাদ্রাসার জমি দখল করে নেয়।  মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ঘরটি মাদ্রাসা ভবন করার জন্য ভেঙে ফেলে। এ সুযোগে তারা মাদ্রাসার জমি দখল করে।
বর্তমানে কাজী হুমায়ুন কবিরের বাড়ীটি ভাংচুর করার পর সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে মোঃ ফারুক হোসেন(৩৭), ফরহাদ(৩৫), আল আমিন(৩৩) মামুন (২৭)  তাদের ফেইসবুক ফেইসে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে প্রচার করছে। যাহা কাজী হুমায়ুন কবিরের জন্য মানহানিকর। উল্লেখ্য, গত ০৬.০৮.২০০৬ ইং কাজী খোরশেদ আলমের ভাগিনা শংকর পুর গুচ্ছ গ্রামের জনৈক নারী (৩০) সাথে অনৈতিক কাজ করায় অবৈধ সন্তান গর্ভে আসাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী সামাজিক ভাবে তার বিষয়ে ইসলামী ফরায়েজ অনুযায়ী বিচার কার্য করে। এতে আলীগঞ্জ মাদ্দাখাঁ মসজিদের ইমাম আবদুর রব আলকাদরী ইসলামি শরীয়া ফতুয়া  অনুযায়ী তাকে ৩ থেকে ৩৯ বার জুতা পেটা বা বেএাগাত করার সিদ্ধান্ত দিয়ে বিচার কার্য সম্পন্ন করা হয়।
এ ঘটনার পর তা বিভিন্ন পএিকায় প্রকাশিত হলে তৎকালীন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য কাজী হুমায়ুন কবিরকে সন্দেহ করে। ঐ সময় কাজী খোরশেদ আলম তার ভাগিনা ও ৩/৪ জন কে সাথে  নিয়ে কাজী হুমায়ুনের বাড়ীর দরজার গেইট বন্ধ থাকায়,অশালীন ভাষায় জোর চিৎকার দিয়ে বলে, গেইট বন্ধ, না হয় তোকে চুরি মেরে ঝুলি ফেলে দিতাম বলে হুমকি দুমকি দিলে তৎসময় গত ০৬.০৮.২০০৬ ইং কাজী হুমায়ুন কবির একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নং ১৬১. তার পর থেকেই দূবৃর্ত্তরা কাজী হুমায়ুন কবিরের পেছনে লেগে ক্ষতি করে আসছে।
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন।  এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দূবৃর্ত্তদের কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তির দাবি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক কাজী হুমায়ুন কবির ও তার পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও তিনি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।