ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একমত ইউরোপীয় ইউনিয়ন

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৩:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪
  • 135

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার স্বীকৃতি নিয়ে একেক রাষ্ট্রের একেক অবস্থান থাকলেও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একমত ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলো। এমনটাই জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ প্রতিনিধি সোভেন কোপম্যানস।

তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থাকতে পারে, কিন্তু ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমাদের ঐক্যমত রয়েছে’।

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেনের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ইইউর এ বিশেষ প্রতিনিধি।

কুপম্যানস আরও বলেন, সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়মিত বৈঠকে যোগ দেবেন। সেখানে গাজায় সহিংসতা অবসানের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, কেউ একাই যথেষ্ট নয়। কিন্তু যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি; তাহলে হয়তো নতুন কিছু শুরু করা সম্ভব।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একমত ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আপডেট : ০৩:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার স্বীকৃতি নিয়ে একেক রাষ্ট্রের একেক অবস্থান থাকলেও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একমত ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলো। এমনটাই জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশেষ প্রতিনিধি সোভেন কোপম্যানস।

তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থাকতে পারে, কিন্তু ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমাদের ঐক্যমত রয়েছে’।

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও স্পেনের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ইইউর এ বিশেষ প্রতিনিধি।

কুপম্যানস আরও বলেন, সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা আগামী সপ্তাহে ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়মিত বৈঠকে যোগ দেবেন। সেখানে গাজায় সহিংসতা অবসানের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, কেউ একাই যথেষ্ট নয়। কিন্তু যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি; তাহলে হয়তো নতুন কিছু শুরু করা সম্ভব।