ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে বৈদ্যুতিক লাইনের সমস্যা সমাধানে দিতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ, নেপথ্যে লাইনম্যান মমিন

চাঁদপুর জেলা ফরিদগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া গ্রামে সম্প্রতি রাস্তার পাশে গাছ কাটার ঘটনা একটি বৈদ্যুতিক তারের লাইন ছিড়ে যায়। স্থানীয় জনতা ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় লাইনম্যান মমিন হোসেনকে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে লাইনটি সংযোগ দেওয়ার জন্য ধানুয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ধানুয়া বাজারের ব্যবসায়ী ইয়াসিন খাঁনের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন মমিন হোসেন। টাকা দিতে ব্যার্থ হলে লাইনটি সংযোগ না দিয়েই চলে আসে। পরবর্তীতে ইয়াসিন খাঁন জেনারেল ম্যানেজার বরাবর যোগাযোগ করলে পরের দিন সকাল একই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে লাইনটি সংযোগ দেন। এবং ইয়াসিন খাঁন আরো অভিযোগ করেন এর কিছুদিন পূর্বে ধানুয়াবাজারে তার তিনটি দোকানের একটি দোকানে বৈদ্যুতিক লাইনে সমস্যা দেখা দিলে তিনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করার পর মমিন নামে একই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে আসেন এবং তার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন ও মোহাম্মদ আলী রমজান জানান আমরা যেকোনো সমস্যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করলে বিভিন্ন সময় লাইনম্যান মোমিনকে বাড়তি টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়। এ বিষয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে ইয়াসিন খাঁন চাঁদপুর জেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জেনারেল ম্যানেজার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি তদন্ত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লাইনম্যান মমিন হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

 কালচোঁ উত্তর ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

ফরিদগঞ্জে বৈদ্যুতিক লাইনের সমস্যা সমাধানে দিতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ, নেপথ্যে লাইনম্যান মমিন

Update Time : ১১:০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

চাঁদপুর জেলা ফরিদগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া গ্রামে সম্প্রতি রাস্তার পাশে গাছ কাটার ঘটনা একটি বৈদ্যুতিক তারের লাইন ছিড়ে যায়। স্থানীয় জনতা ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করলে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় লাইনম্যান মমিন হোসেনকে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে লাইনটি সংযোগ দেওয়ার জন্য ধানুয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ধানুয়া বাজারের ব্যবসায়ী ইয়াসিন খাঁনের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন মমিন হোসেন। টাকা দিতে ব্যার্থ হলে লাইনটি সংযোগ না দিয়েই চলে আসে। পরবর্তীতে ইয়াসিন খাঁন জেনারেল ম্যানেজার বরাবর যোগাযোগ করলে পরের দিন সকাল একই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে লাইনটি সংযোগ দেন। এবং ইয়াসিন খাঁন আরো অভিযোগ করেন এর কিছুদিন পূর্বে ধানুয়াবাজারে তার তিনটি দোকানের একটি দোকানে বৈদ্যুতিক লাইনে সমস্যা দেখা দিলে তিনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করার পর মমিন নামে একই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে আসেন এবং তার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নেন। একই গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন ও মোহাম্মদ আলী রমজান জানান আমরা যেকোনো সমস্যায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযোগ করলে বিভিন্ন সময় লাইনম্যান মোমিনকে বাড়তি টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়। এ বিষয়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে ইয়াসিন খাঁন চাঁদপুর জেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জেনারেল ম্যানেজার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোঃ রাশেদুজ্জামান বলেন বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছি তদন্ত পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লাইনম্যান মমিন হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।