ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদগঞ্জে প্রবাসির স্ত্রীর গলাকাটা ম/রদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নুরজাহান বেগম (৫০) নামের এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ভাটেরহৃদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিজ বাড়ির শৌচাগারে তাঁর রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। তিনি ওই গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী।

বেলা ৩টা দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরজাহানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁদের চারটি সন্তান রয়েছে।

মৃতের কলেজপড়ুয়া মেয়ে নুর সুলতানা তানহা বলেন, ‘আমি সকালে কলেজে চলে যাই। দুপুরে বাড়িতে এসে দেখি আমাদের বিল্ডিংয়ের দরজা বন্ধ। মাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া পাচ্ছিলাম না। পরে আমাদের বাড়ির এক চাচাতো বোনের বাসায় যাই, আমার কাছে থাকা তার ওষুধ দিয়ে আসতে। কিছুক্ষণ পর ঘরের সামনে ফিরে এসে দেখি দরজা খোলা। এ সময় ঘরে প্রবেশ করে দেখি টয়লেটে গলাকাটা অবস্থায় মা পড়ে আছে। আমি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে এবং মাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ‘নুরজাহান বেগম বিভিন্ন এনজিওর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণগ্রস্ত ছিলেন। অনেক সময় দেখেছি, এনজিওর লোকজন টাকার জন্য তাঁদের বাড়িতে এসে বসে থাকত। ঘটনার দিন সকালেও তাঁর বাড়িতে এনজিওর লোকজন আসে। তবে কোন এনজিও, তা বলতে পারেননি।’

ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, খবর পেয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের গলায় কাটা গভীর জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কিশোর গ্যাং, মাদক নির্মূল, বাজার নিয়ন্ত্রণ মনিটরিংসহ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে আইন অনুযায়ী কঠোর হওয়ার নির্দেশ সাংসদের

ফরিদগঞ্জে প্রবাসির স্ত্রীর গলাকাটা ম/রদেহ উদ্ধার

Update Time : ১২:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নুরজাহান বেগম (৫০) নামের এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ভাটেরহৃদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিজ বাড়ির শৌচাগারে তাঁর রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। তিনি ওই গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী আবুল কালামের স্ত্রী।

বেলা ৩টা দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরজাহানকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁদের চারটি সন্তান রয়েছে।

মৃতের কলেজপড়ুয়া মেয়ে নুর সুলতানা তানহা বলেন, ‘আমি সকালে কলেজে চলে যাই। দুপুরে বাড়িতে এসে দেখি আমাদের বিল্ডিংয়ের দরজা বন্ধ। মাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া পাচ্ছিলাম না। পরে আমাদের বাড়ির এক চাচাতো বোনের বাসায় যাই, আমার কাছে থাকা তার ওষুধ দিয়ে আসতে। কিছুক্ষণ পর ঘরের সামনে ফিরে এসে দেখি দরজা খোলা। এ সময় ঘরে প্রবেশ করে দেখি টয়লেটে গলাকাটা অবস্থায় মা পড়ে আছে। আমি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে এবং মাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য খোরশেদ আলম বলেন, ‘নুরজাহান বেগম বিভিন্ন এনজিওর কাছে মোটা অঙ্কের টাকা ঋণগ্রস্ত ছিলেন। অনেক সময় দেখেছি, এনজিওর লোকজন টাকার জন্য তাঁদের বাড়িতে এসে বসে থাকত। ঘটনার দিন সকালেও তাঁর বাড়িতে এনজিওর লোকজন আসে। তবে কোন এনজিও, তা বলতে পারেননি।’

ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, খবর পেয়ে নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতের গলায় কাটা গভীর জখমের চিহ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।