বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য জিএম ফজলুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৩বছর।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হসপিটালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মরহুমের বড় ছেলে ব্যারিস্টার জিয়াউল হক জিকু। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে দেশ ও বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন।
জিএম ফজলুল হক চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নের তরপুরচন্ডী গ্রামের গাজী বাড়ির মরহুম মিছির আলী গাজীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। তিনি পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করতেন।
মরহুমের নামাজে জানাযা চাঁদপুর গ্রামের বাড়িতে ও দাফন পারিবারিক কবরস্থানে করার কথা রয়েছে। তবে পরিবার থেকে এখন পর্যন্ত নামাজে জানাযার সময় জানানো হয়নি।
বিএনপির এই নেতা জাতীয়বাদী দল বিএনপি থেকে মনোনীত হয়ে চাঁদপুর-৩ আসনে ১৯৯৬ সালে সপ্তম ও ২০০১সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই আসনে ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী দীপু মনির কাছে তিনি পরাজিত হন।
জিএম ফজলুল হক সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ছোট সুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে তিনি রাজনীতিতে চলে আসেন। জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন।
এদিকে বিএনপির এই নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সহ জেলা বিএনপির নেতারা। এছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: 



















