ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রেণিকক্ষ সংকটে শাহরাস্তির কাদরা কর্ণপাড়া দাখিল মাদ্রাসা

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার কাদরা কর্ণপাড়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষ সংকট ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। নতুন একাডেমিক ভবন, আধুনিক ওয়াশরুম এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

জানা যায়, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি এলাকার মানুষের দান-অনুদান ও সরকারি থোক বরাদ্দের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পরিচালিত হওয়ার পর ২০২২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ইবতেদায়ী শাখায় ১১৩ জন এবং দাখিল শাখায় ২৪৪ জনসহ মোট ৩৫৭ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছেন ১৫ জন শিক্ষক, একজন তৃতীয় শ্রেণির এবং চারজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

মাদ্রাসার সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, দীর্ঘ ছুটির পর ক্লাস শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম রয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসাটিতে পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ ও রামগঞ্জ উপজেলা থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।

তিনি জানান, মাদ্রাসার পাশের মহেন্দ্র খালের ওপর প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দীর্ঘদিনেও শেষ না হওয়ায় নরপাইয়া, কাশৈর, তালতলাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি সুবিধা না থাকাও শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং চলমান সেতু নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

বাবুরহাট বাজার মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতি’র সভাপতি আলাউদ্দিন সাধারণ সম্পাদক মাসুম বকাউল

শ্রেণিকক্ষ সংকটে শাহরাস্তির কাদরা কর্ণপাড়া দাখিল মাদ্রাসা

আপডেট : ১০:৫৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার কাদরা কর্ণপাড়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষ সংকট ও অবকাঠামোগত নানা সমস্যার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। নতুন একাডেমিক ভবন, আধুনিক ওয়াশরুম এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

জানা যায়, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি এলাকার মানুষের দান-অনুদান ও সরকারি থোক বরাদ্দের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পরিচালিত হওয়ার পর ২০২২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ইবতেদায়ী শাখায় ১১৩ জন এবং দাখিল শাখায় ২৪৪ জনসহ মোট ৩৫৭ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছেন ১৫ জন শিক্ষক, একজন তৃতীয় শ্রেণির এবং চারজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

মাদ্রাসার সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, দীর্ঘ ছুটির পর ক্লাস শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কিছুটা কম রয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসাটিতে পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ ও রামগঞ্জ উপজেলা থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।

তিনি জানান, মাদ্রাসার পাশের মহেন্দ্র খালের ওপর প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ দীর্ঘদিনেও শেষ না হওয়ায় নরপাইয়া, কাশৈর, তালতলাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া ইবতেদায়ী শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি সুবিধা না থাকাও শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ, আধুনিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং চলমান সেতু নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।