ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধুত্বের টানে ৩০ বছর পর একত্র হলো কচুয়ার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৬ ব্যাচ

  • ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট : ০৯:১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • 118

ছবি-ত্রিনদী

বন্ধুত্বের টানে দীর্ঘ ৩০ বছর পর একত্রে মিলিত হলেন কচুয়ার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বন্ধুত্বের টানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মায়ায় কেউ প্রবাস থেকে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছুটে এসেছেন তারা । হাসি আনন্দ ও নেচে গেয়ে মেতে উঠেছেন সবাই। যেন হুট করে ফিরে গেছেন শৈশবের দিনগুলোতে। শনিবার বিকালে অনুষ্ঠানের শুরুতে কচুয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ফটো সেশন সহ হাসির ঠাট্টা আনন্দ উল্লাস ও স্মৃতিচারণায় মেতে উঠেন ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ।

৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর সকল বন্ধুরা একত্রিত হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সবার সাথে কথা হয়, যোগাযোগ হয়। কিন্তু এই প্রথম আমারা সকলে সরাসরি একত্রে মিলিত হলাম। পরবর্তীতে সকল বন্ধুদের পরিবার সহ বড় ধরনের প্রোগ্রামের আয়োজন করা হবে।

বিদ্যালয়ের হলরুমে কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়েই আলোচনার শুরুতে ৯৬ ব্যাচের যে সকল বন্ধুরা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পরে গান আবৃত্তি সহ নানান আয়োজনে পুরস্কার বিতরণী ফাঁকে বারবিকিউ পার্টি আড্ডায় মেতে ওঠে ।

৯৬ ব্যাচের কচুয়া এই আড্ডাটা শুধু একটা পার্টি ছিল না, ছিল যেন সময়ের এক যাদু!

মনে আছে সেই স্কুল লাইফের দিনগুলো? সেই হাসি-ঠাট্টা, একসাথে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, সেই দিনগুলো আবার ফিরে এসেছিল শুক্রবার সন্ধ্যায়, যখন ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা এক হয়েছিল এক জমজমাট বারবিকিউ আড্ডায়। ভাবছেন, কেমন ছিল সেই সন্ধ্যাটা?

সন্ধ্যা নামতেই শুরু হলো কোলাহল। একজন আরেকজনকে দেখে যেন চিনতেই পারছিল না! কিন্তু তারপরই পুরনো নাম ধরে ডাক আর হাসির ফোয়ারা। বারবিকিউয়ের সুঘ্রাণে আর আড্ডার রঙে চারিদিক ভরে উঠেছিল। গান, গল্প আর স্মৃতির পরশ! কে ভেবেছিল এতগুলো বছর পর আমরা আবার এইভাবে জড়ো হতে পারবো? ছোটবেলার সব স্মৃতি যেন নতুন করে প্রাণ পেল, মনে হচ্ছিল যেন আমরা আবার সেই স্কুল ক্যাম্পাসে ফিরে গেছি। প্রতিটা মুহূর্ত ছিল উৎসবমুখর আর স্মৃতিকাতর। বন্ধুদের সাথে এমন করে প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ আজকাল আর কোথায় পাওয়া যায় বলুন তো! এই আড্ডাটা প্রমাণ করলো, বন্ধুত্ব হারায় না, শুধু একটু অপেক্ষা করে সঠিক সময়ের জন্য।

ট্যাগস :
জনপ্রিয়

আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খান

বন্ধুত্বের টানে ৩০ বছর পর একত্র হলো কচুয়ার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৬ ব্যাচ

আপডেট : ০৯:১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বন্ধুত্বের টানে দীর্ঘ ৩০ বছর পর একত্রে মিলিত হলেন কচুয়ার সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বন্ধুত্বের টানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মায়ায় কেউ প্রবাস থেকে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ছুটে এসেছেন তারা । হাসি আনন্দ ও নেচে গেয়ে মেতে উঠেছেন সবাই। যেন হুট করে ফিরে গেছেন শৈশবের দিনগুলোতে। শনিবার বিকালে অনুষ্ঠানের শুরুতে কচুয়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ফটো সেশন সহ হাসির ঠাট্টা আনন্দ উল্লাস ও স্মৃতিচারণায় মেতে উঠেন ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ।

৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর সকল বন্ধুরা একত্রিত হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সবার সাথে কথা হয়, যোগাযোগ হয়। কিন্তু এই প্রথম আমারা সকলে সরাসরি একত্রে মিলিত হলাম। পরবর্তীতে সকল বন্ধুদের পরিবার সহ বড় ধরনের প্রোগ্রামের আয়োজন করা হবে।

বিদ্যালয়ের হলরুমে কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়েই আলোচনার শুরুতে ৯৬ ব্যাচের যে সকল বন্ধুরা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পরে গান আবৃত্তি সহ নানান আয়োজনে পুরস্কার বিতরণী ফাঁকে বারবিকিউ পার্টি আড্ডায় মেতে ওঠে ।

৯৬ ব্যাচের কচুয়া এই আড্ডাটা শুধু একটা পার্টি ছিল না, ছিল যেন সময়ের এক যাদু!

মনে আছে সেই স্কুল লাইফের দিনগুলো? সেই হাসি-ঠাট্টা, একসাথে ক্লাস ফাঁকি দেওয়া? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, সেই দিনগুলো আবার ফিরে এসেছিল শুক্রবার সন্ধ্যায়, যখন ৯৬ ব্যাচের বন্ধুরা এক হয়েছিল এক জমজমাট বারবিকিউ আড্ডায়। ভাবছেন, কেমন ছিল সেই সন্ধ্যাটা?

সন্ধ্যা নামতেই শুরু হলো কোলাহল। একজন আরেকজনকে দেখে যেন চিনতেই পারছিল না! কিন্তু তারপরই পুরনো নাম ধরে ডাক আর হাসির ফোয়ারা। বারবিকিউয়ের সুঘ্রাণে আর আড্ডার রঙে চারিদিক ভরে উঠেছিল। গান, গল্প আর স্মৃতির পরশ! কে ভেবেছিল এতগুলো বছর পর আমরা আবার এইভাবে জড়ো হতে পারবো? ছোটবেলার সব স্মৃতি যেন নতুন করে প্রাণ পেল, মনে হচ্ছিল যেন আমরা আবার সেই স্কুল ক্যাম্পাসে ফিরে গেছি। প্রতিটা মুহূর্ত ছিল উৎসবমুখর আর স্মৃতিকাতর। বন্ধুদের সাথে এমন করে প্রাণ খুলে হাসার সুযোগ আজকাল আর কোথায় পাওয়া যায় বলুন তো! এই আড্ডাটা প্রমাণ করলো, বন্ধুত্ব হারায় না, শুধু একটু অপেক্ষা করে সঠিক সময়ের জন্য।