চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে সময়ের দাবি পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে “উদয়ন পাবলিক স্কুল”।
বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের উয়ারুক বাজারস্থ ইসলামী ব্যাংক ভবনের ৩য় তলায় এটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও বই বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মাহমুদের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন, উদয়ন পাবলিক স্কুলের পরিচালক মুহাম্মদ মকবুল হোসাইন, পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান সেন্টু, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ রাকিব হাসান, শিক্ষিকা আয়শা আক্তার, নাছরিন নাহার, নুসরাত হাসান, জান্নাতুল নাঈম সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার সুধীজন।
বিদ্যালয়ের পরিচালক মুহাম্মদ মকবুল হোসাইন জানান, আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে সময়ের দাবি পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা এ বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু করেছি। সময়ের চাহিদা ও সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এটি একটি আদর্শ শিশু শিক্ষালয় হবে এমনটি আশা করছি। মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সকলের সহযোগিতায় ও আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অত্র এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি যুগান্তকারী সাফল্য বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, শুরুতেই শ্রেণিকক্ষে সহীহ্ কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা, সময়োপযোগী সিলেবাস ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী, ব্যবহারিক জীবনে নৈতিক শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ, ইংরেজী ও আরবী ভাষা শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ, নিয়মিত বিনোদন, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার ব্যবস্থা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের সমন্বয়ে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সুবিধা, অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্নে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বৃদ্ধিতে বাড়ির কাজ, ক্লাসটেস্ট ও ডায়েরী সংরক্ষণের ব্যবস্থা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের আনুপাতিক ভারসাম্যরক্ষা, সুন্দর করে কথা বলা ও সুন্দর হাতের লেখার প্রশিক্ষণ সহ আরো অসংখ্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া সম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি সি.সি. ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকবে এবং সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ/আই. পি. এস এর ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা সকলের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার এক আলোকিত পরিবেশ সৃষ্টি করতে বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বছরের বই তুলে দেন। নতুন বই পেয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে উঠে।
আবু মুছা আল শিহাব: 














