বাংলাদেশ শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন বলেন,শিক্ষকতার পাশাপাশি অন্য পেশায় কাজ করলে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি না নিয়ে শিক্ষকরা অন্য পেশায় থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। গণমাধ্যম বিষয়গুলো তুলে ধরলে আমাদের ব্যবস্থা নিতে আরও সহজ হবে।
কারিগরি শিক্ষা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণ শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ায় শিক্ষক সংকট পড়েছে। আমাদের সরকার কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে খুব সহসাই অগ্রাধিকার ভিক্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান পূর্বে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।
পরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় কচুয়ার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন ,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে, মাদকের পরিস্থিতি ভয়াবহ, এটাকে আমরা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অনেক আলোচনা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরে রাস্তায় ঘোড়া ফেরা সেটাও কমে এসেছি। কচুয়ার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা অনেকটাই উন্নতি হচ্ছে ।
তিনি আরো বলেন,বিগত সরকার মধ্যম আয়ের দেশ করার জন্য গ্রুপ স্টাডিসকে নির্দেশ দিয়ে যেখানে আমার কচুয়ার দরিদ্র সংখ্যা ছিল ৪০%, সেটাকে সাড়ে ৭% করছে। যেই কারণে আমরা কচুয়ায় ভিজিএফ এর কার্ড দরিদ্র কর্মসূচি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। রাষ্ট্রকে মধ্যময় দেশ করা আর একটি এলাকা এক নয়। এই ধরনের কারচুপি বিগত দিনের সরকারি করেছে, আমার মনে হয় পুনরায় এই বিষয়টি আবারও দেখতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা সভায় যোগদানের আগে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এসময় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান রাসেল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আবু নাছির, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া: 























