চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৪৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং একজনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মো: নাজমুল ইসলাম সরকার।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে পাচঁটি আসনের মনোনয়ন ফরম যাছাই-বাছাই কার্যক্রম চালানো হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় গণফোরামের প্রার্থী মো: আজাদ হোসেন ও জাতীয় পার্টির হাবিব খান এবং কাগজপত্র জটিলতায় গণঅধিকারের প্রার্থী এনায়েত হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) নির্বাচনী এলাকায় ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জনের মনোনয়ন ফরম বাতিল এবং একজনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ আসনে প্রার্থিতা বাতিলের তালিকায় রয়েছেন— ঋণখেলাপীর জন্য লেবার পার্টির প্রার্থী নাসিমা আক্তার, ঋণখেলাপী ও এক শতাংশ জনসমর্থনে জটিলতা থাকার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর হুদা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির ফয়জুন নূর, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় ইসলামী আন্দোলনের মানছুর আহমেদ সাকি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবু নাছের মোহাম্মদ মুকবুল আহমেদ, হলফনামায় গলদ থাকায় আমার বাংলাদেশ পার্টির রাশেদা আক্তার।
এছাড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস শুক্কুর পাটোয়ারীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এদিকে চাঁদপুর-৩ ( সদর-হাইমচর) আসনে নয়জন প্রার্থীর মধ্যে হলফনামায় স্বাক্ষর না করায় গণফোরামের সেলিম আকবরের মনোনয়ন ফরম বাতিল ঘোষণা করা হয়।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে চারজনের মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে প্রার্থিতা বাতিলের তালিকায় রয়েছেন— ঋণখেলাপীর জন্য ইসলামী ফন্টের প্রার্থী আব্দুল মালেক, বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না থাকায় মোজাম্মেল, এক শতাংশ জনসমর্থনে জটিলতা থাকার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্বাস উদ্দিন ও জাকির হোসেন।
এছাড়া চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে একজনের মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়েছে।
Reporter Name 
















