শাহরাস্তিতে আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ কাজ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার হরিপুর গ্রামে ১০৩নং মৌজার বিএস ৪০৫নং খতিয়ানের মোট. ৯১৪৯ একর ভূমিতে জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ এনে সম্প্রতি সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন, মো. মাহবুব রাব্বানী।
তিনি ১০ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের গন্ধর্ব্যপুর গ্রামের শাহআলম মোল্লার ছেলে মো. আনিছুল আলম, মো. রকিবুল ইসলাম কায়েস, মো. গাউছুল আলম ও মো. মোস্তফা জামান ডেনিসের ছেলে মো. ছিয়ামের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে।
এর আগে উল্লেখিত ব্যক্তিদের প্রতিপক্ষ করে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৪৫ ধারায় একটি অভিযোগ (নং- ১৭৬/২০২৬) দায়ের করেন, একই গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেনের পক্ষে আমমোক্তারমূলে মো. মাহবুব রাব্বানী।
তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার রতনপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে স্থীতাবস্থা জারি করে আদালত। পরবর্তীতে আগামি ৫ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য্য এবং এই সময়ের মধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি’কে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মাহবুবে রাব্বানী বলেন, ওয়ারিশ সূত্রে হরিপুর গ্রামের ১০৩নং মৌজার বিএস ৪০৫নং খতিয়ানের বিএস’র চারটি দাগে ১.৮৩ একরের মধ্যে. ৯১৪৯ ভূমির মালিক আমরা ওয়ারিশগন। যার খারিজ-খতিয়ান করা আছে। গত পহেলা ফেব্রুয়ারী উল্লেখিত বিবাদীরা আমাদের দখলীয় ভূমিতে থাকা গাছপালা কেটে নিয়ে যায়।
এরপর তারা পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে বাধা দিলে তারা আমাদের মারধরের হুমকি দেন এবং নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতের শরণপন্ন হই। অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালত স্থিতাবস্থা জারি করেন।
তিনি বলেন, পরবর্তীতে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধের নির্দেশনা দেন। কিন্তু তারা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে রাতের আঁধারে স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন। আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুবিচার কামনা করছি।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. আনিছুল আলম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ রটানো হচ্ছে। এখানে ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) রয়েছে। আপনারা (সাংবাদিক) এসে এবং দেখে সত্যতা নিশ্চিত করেন। পুলিশ আসার পর ১৪৫ ধারার কথা জানতে পারি এবং আমাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখি। বিষয়টি আমরা আইনিভাবে মোকাবেলা করবো।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উভয়পক্ষকে স্থিতাবস্থা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 



















