ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় রহিমানাগর বাজারে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ১১ Time View

কচুয়া উপজেলার রহিমানাগর বাজারে মাছ,মাংস ও সবজি বাজারের ময়লা-আবর্জনা ও পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের উপর দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে জাকির হোসেন নামে এক গরুর মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত অভিযোগ সূত্র জানাগেছে,রহিমানাগর বাজারে ময়লা-আবর্জনা, বিভিন্ন বর্জ বাজারের ড্রেন দিয়ে খালে চলে যায়। সেজন্য বাজারের সকল ব্যবসায়ীরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। কিন্তু ড্রেন দখল করে বিভিন্ন দোকান নির্মান করে দিয়ে ব্যবসা করিতেছে। বাজারের ড্রেন দিয়ে কোন ময়না-আবর্জনা, বর্জ বাহির হতে না পারায় বাজারে সুন্দর পরিবেশ ধ্বংসের হয়ে যাচ্ছে বলে লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করেন এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেন রহিমানাগর ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়রা জানান, রহিমানাগরে সবজি,মাছ, মাংসের বাজারে যত ময়লা আবর্জনা ও দূষিত পানি নিষ্কাশন হয় এই ড্রেনের মাধ্যমে। এই ড্রেন যদি বন্ধ হয়ে যায়, সামান্য বৃষ্টিতে বাজার হাঁটুর সমান পানিতে তলিয়ে যায়। ময়লা আবর্জনা ও দূষিত পানির দুর্গন্ধে বাজারের কোনো পরিবাশে থাকবে না।

বাজার ব্যবসায়ীরা জানান,সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় সবজি,মাছ, মাংস, পিঁয়াজ বাজারে। জাকির হোসেন নামে এক মাংস ব্যবসায়ী ড্রেনের উপর দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। দোকানের কারনে ড্রেন বন্ধ হয়, তাহলে দুর্গন্ধ ও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য করা যাবে না।

জাকির হোসেন বলেন,আমি এই জায়গাটি সরকারের কাছ থেকে লিজ (বন্দোবস্ত) নিয়ে আমি কাজ শুরু করেছি। এই যায়টি পূর্বে একজনে লিজ নিয়ে দোকনদারি করছে,ওনার কাছ থেকে দোকানের বিভিন্ন খরচ বাবদ ৬ থেকে ৭ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে আমি আমার নামে লিজ নিয়েছি।

বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী কবির হোসেন বলেন,আমি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং ওইখানে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনটি দেখেছি। ড্রেনের পাশে জায়গাটি সরকার জাকির হোসেনের কাছে লিজ (বন্দোবস্ত) দিয়েছে। তবে বাজারের ড্রেন বন্ধ হয়ে গেলেও তখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জামশেদ হোসেন বলেন, জাকির হোসেন এই জায়গাটি লিজ নিয়েছে। তবে এখানে দোকান নির্মাণের জন্য কোন অনুমতি নেননি। আমি কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

শাহরাস্তিতে ইয়াবাসহ ১৩ মামলার আসামি চিহ্নিত মাদক কারবারি আটক

কচুয়ায় রহিমানাগর বাজারে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

Update Time : ০৯:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

কচুয়া উপজেলার রহিমানাগর বাজারে মাছ,মাংস ও সবজি বাজারের ময়লা-আবর্জনা ও পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের উপর দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে জাকির হোসেন নামে এক গরুর মাংস ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত অভিযোগ সূত্র জানাগেছে,রহিমানাগর বাজারে ময়লা-আবর্জনা, বিভিন্ন বর্জ বাজারের ড্রেন দিয়ে খালে চলে যায়। সেজন্য বাজারের সকল ব্যবসায়ীরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে। কিন্তু ড্রেন দখল করে বিভিন্ন দোকান নির্মান করে দিয়ে ব্যবসা করিতেছে। বাজারের ড্রেন দিয়ে কোন ময়না-আবর্জনা, বর্জ বাহির হতে না পারায় বাজারে সুন্দর পরিবেশ ধ্বংসের হয়ে যাচ্ছে বলে লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করেন এবং জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেন রহিমানাগর ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়রা জানান, রহিমানাগরে সবজি,মাছ, মাংসের বাজারে যত ময়লা আবর্জনা ও দূষিত পানি নিষ্কাশন হয় এই ড্রেনের মাধ্যমে। এই ড্রেন যদি বন্ধ হয়ে যায়, সামান্য বৃষ্টিতে বাজার হাঁটুর সমান পানিতে তলিয়ে যায়। ময়লা আবর্জনা ও দূষিত পানির দুর্গন্ধে বাজারের কোনো পরিবাশে থাকবে না।

বাজার ব্যবসায়ীরা জানান,সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় সবজি,মাছ, মাংস, পিঁয়াজ বাজারে। জাকির হোসেন নামে এক মাংস ব্যবসায়ী ড্রেনের উপর দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। দোকানের কারনে ড্রেন বন্ধ হয়, তাহলে দুর্গন্ধ ও বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য করা যাবে না।

জাকির হোসেন বলেন,আমি এই জায়গাটি সরকারের কাছ থেকে লিজ (বন্দোবস্ত) নিয়ে আমি কাজ শুরু করেছি। এই যায়টি পূর্বে একজনে লিজ নিয়ে দোকনদারি করছে,ওনার কাছ থেকে দোকানের বিভিন্ন খরচ বাবদ ৬ থেকে ৭ লক্ষ্য টাকার বিনিময়ে আমি আমার নামে লিজ নিয়েছি।

বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী কবির হোসেন বলেন,আমি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং ওইখানে বাজারের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনটি দেখেছি। ড্রেনের পাশে জায়গাটি সরকার জাকির হোসেনের কাছে লিজ (বন্দোবস্ত) দিয়েছে। তবে বাজারের ড্রেন বন্ধ হয়ে গেলেও তখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জামশেদ হোসেন বলেন, জাকির হোসেন এই জায়গাটি লিজ নিয়েছে। তবে এখানে দোকান নির্মাণের জন্য কোন অনুমতি নেননি। আমি কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলেছি।