আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার মত প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি,সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু। ইতিমধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগণের সাথে তিনি যোগাযোগ করে যাচ্ছে। এলাকায় বিভিন্ন জনসেবা মূলক সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে মানবিক ও সামাজিক কাজ করছেন। তারপর প্রার্থিতা ঘোষণার পর উপজেলার প্রতিটি স্থানে পাড়া মহল্লায় চায়ের দোকানে সাধারণ জনগণ তাকে নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, সততা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ব্যবসায়ী মহল এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,কচুয়ার উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের মাননীয় শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী কচুয়ার সংসদ সদস্য ড.আনম এহছানুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবীর হাত ধরে এলাকার শিক্ষা, খেলাধুলা, সামাজিক উন্নয়ন এবং তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের উপজেলা শাখার বর্তমান সহ-সভাপতি ও মালয়েশিয়া যুব দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ রয়েছে। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সময় যুবসমাজকে সংগঠিত করা, অসহায়দের সহায়তা প্রদান এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
এদিকে সম্ভাব্য এই প্রার্থী নিজেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন ভাই ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী আপার হাত ধরে রাজনীতি করে আসছি। ওনাদের বাহিরে গিয়ে কারো সাথে আমি কখন আপোষ করিনি, ওনাদের দিক নির্দেশনায় আমি রাজনীতি করে আসছি। আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। যদি দল ও জনগণ আমাকে দায়িত্ব দেয়, তাহলে কচুয়ার উন্নয়নে নিজেকে সর্বোচ্চভাবে নিয়োজিত রাখবো।
উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শাখাওয়াত হোসেন সাক্কু ঘিরে সমর্থনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অনেকেই তাকে একজন যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র স্পষ্ট হবে। তবুও আগাম আলোচনায় এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেন সাক্কুর নাম শীর্ষে থাকায় কচুয়া রাজনৈতিক মাঠ ইতোমধ্যেই সরগরম হয়ে।
নিজস্ব প্রতিনিধি: 




















