বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর চাঁদপুর কোল্ড স্টোরেজকে ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম চলে আসছে।
চাঁদপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মেজর রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম সড়কে অবস্থিত এই কোল্ড স্টোরেজকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি এসব অভিযোগ সামনে আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোল্ড স্টোরেজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে না।
সূত্র জানায়, চাঁদপুর বিএডিসির উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এখানে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, কোল্ড স্টোরেজের অভ্যন্তরে পুরোনো ভবনের ইট, গাছ ও ফলমূল যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিক্রি করা হচ্ছে। এমনকি ব্যাংকিং প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই আলু বিক্রির ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে, কোল্ড স্টোরেজের একটি চেম্বারের ছাদ সংরক্ষণকাজে সরকারিভাবে ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার টেন্ডার অনুমোদন দেওয়া হলেও বাস্তবে কাজের পরিমাণ অত্যন্ত কম হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এক লাখ টাকার কাজও সম্পন্ন হয়নি।
এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে চাঁদপুর বিএডিসির উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন, কোল্ড স্টোরেজে কর্মরত কিছু শ্রমিকের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ নিয়মিত কাজ না করে বিভিন্ন সুবিধা নিতে চায়। তিনি তাদের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তারা তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
Reporter Name 























